


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিপিএমের বুকস্টল বসানো নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এবং নৈহাটিতে দুর্গাপুজোয় দুটি বুকস্টল করতে চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল সিপিএমের তরফে। কিন্তু পুলিশের তরফে অনুমতি দেওয়া হয়নি। সেই জল গড়িয়েছে এবার হাইকোর্টে। বিচারপতির পরামর্শ, ‘দুর্গাপুজোয় না হলে কালীপুজোয় বুকস্টল করা যেতে পারে।’ আবেদনকারীরা জানিয়েছেন যে, তাঁরা গত ৫০ বছর ধরে অস্থায়ী বইয়ের স্টল বসিয়ে আসছেন। সিপিএমের আইনজীবী শামীম আহমেদ আদালতকে জানান যে, ‘উচ্চ কর্তৃপক্ষের নির্দেশ রয়েছে’, এই যুক্তিতে এ বছর অনুমতি দেওয়া হয়নি।
এরপরেই সিপিএমের তরফে মামলা দায়ের করা হয় হাইকোর্টে। সোমবার দ্রুত শুনানি চেয়ে আবেদন করেন সিপিএমের আইনজীবী। তবে দ্রুত শুনানীর প্রয়োজন নেই বলেই মনে করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। সিপিএমের আইনজীবী শামীম আহমেদের তরফে অনুরোধ করা হয় বিচারপতিকে মামলাটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য। শামীম বলেন, ‘আমরা অন্য এজলাসে চেষ্টা করব। পুজোর পর মামলার আর গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না।’ তখন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন যে, তিনি মঙ্গলবার বিষয়টি বিবেচনা করবেন।
দুর্গাপুজোর সময়ে একাধিক পুজো মণ্ডপের বাইরে সিপিএমের তরফে বুকস্টল বসানো হয়। তবে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গত মাসে দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে সিপিএমের বুকস্টল বসানোয় শর্ত বেঁধে দিয়েছিলেন। ‘দুর্গাপুজো’র পরিবর্তে যদি বুকস্টলে ‘শারদোৎসব’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তাহলে সিপিএমের বইয়ের দোকানের জন্য অনুমতি না দেওয়ার জন্য বলেন মুখ্যমন্ত্রী।