


• এক রাজনৈতিক নেতার ভূমিকায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। জিৎ একজন পুলিস অফিসার। প্রথমবার একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করলেন তাঁরা। সৌজন্যে নেটফ্লিক্সের আসন্ন সিরিজ ‘খাকি: দ্য বেঙ্গল চ্যাপ্টার’। পর্দায় দুই নায়কের সম্পর্কটা পাশাপাশি নাকি মুখোমুখি? না! তা খোলসা করেননি কেউই। কিন্তু তাঁদের প্রথমবার একসঙ্গে অভিনয় করার জন্য টলিউড থেকে পাড়ি দিতে হল মুম্বই। জিৎ-এর প্রযোজনার সঙ্গে অভিনেতা প্রসেনজিতের সহাবস্থান ঘটলেও, সহ অভিনেতা হিসেবে দুই ভিন্ন প্রজন্মের হিরোকে ক্যামেরার সামনে সংলাপ বিনিময় করতে দেখা যাবে প্রথমবার। ‘বুম্বাদার সঙ্গে আমার অনেকদিনের সম্পর্ক। বহু পুরনো কেমিস্ট্রি আমাদের। আমরা একসঙ্গে ইন্ডাস্ট্রি সংক্রান্ত অনেক কাজের সঙ্গে যুক্ত থেকেছি। আর্টিস্ট ফোরামের নানা কাজ করেছি। কাকতালীয়ভাবে এর আগে আমরা কোনওদিন স্ক্রিন শেয়ার করিনি। এই প্রথম করলাম। তবে এটা নিশ্চিত করে বলতে পারি ভবিষ্যতে আমরা আরও কাজ করব। বাংলায় তো করবই। শুরুটা যখন হয়েই গিয়েছে, অপেক্ষা করুন। খুব শীঘ্রই আরও নতুন চমক আসতে চলেছে এবং সেটা বাংলায়’, স্পষ্ট বললেন জিৎ।
এই সিরিজে কেমন পুলিস জিৎ? নায়কের বর্ণনায়, ‘সৎ পুলিস। নিজের ধর্ম, নিজের কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করে। আমার চরিত্র অর্জুন মৈত্র জানে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সে পুলিসের উর্দি পরেছে এবং সততার সঙ্গে তার মর্যাদা রক্ষার চেষ্টা করে।’ ২০০০ সালের কলকাতার পটভূমি। অপরাধের অন্ধ অলিগলি আর তৎকালীন আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। সাত পর্বের অ্যাকশনে ঠাসা থ্রিলারের প্রেক্ষাপট এটাই। বিস্ফোরক, বারুদ আর রক্তে রাঙানো ওয়েব সিরিজ ‘খাকি’র দ্বিতীয় সিজিনটিও ক্ষমতায়ন, দুর্বৃত্তায়ন, খুন, শোধ-প্রতিশোধের চিত্রে ভরপুর। সিংহভাগ সিরিজে এহেন হিংসা-প্রতিহিংসার চাল, পাল্টা চাল কি সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে? জিৎ-এর জবাব, ‘একটা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অনেক রকম স্বাদের কনটেন্ট থাকে। এটা বিনোদনমূলক থ্রিলার। দর্শকের ভালো লাগবে।’
জিৎ প্রযোজিত বাংলা ছবি এখন বহির্বিশ্বেও ব্যবসা করছে। ফলে প্রত্যাশা বাড়ছে। জিৎ নিজে কি এমন সিরিজ প্রযোজনা করতে পারতেন না? যেখানে দেব-জিৎ-প্রসেনজিৎকে একসঙ্গে অভিনয় করতে দেখা যেত? তাঁর উত্তর, ‘অবশ্যই এমন কাজ হওয়া উচিত। তবে জিৎ-প্রসেনজিৎ-দেব, এমন একটি ফ্রেমের জন্য যদি এখনই ভাবতে হয়, তাহলে ওয়েব সিরিজ নয়, সিনেমার কথাই আমি প্রথমে ভাবতে চাই।’
প্রিয়ব্রত দত্ত