


বেঙ্গালুরু: আইপিএল অভিযানের শুরুটা স্বপ্নের মতো হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। প্রথম দুই অ্যাওয়ে ম্যাচে জয় এসেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের মতো হেভিওয়েট দলের বিরুদ্ধে। দুই ম্যাচে চার পয়েন্টে তালিকায় সবার উপরেও রজত পাতিদারের দল। বুধবার অবশ্য তাদের সামনে অন্য চ্যালেঞ্জ। ঘরের মাঠ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে শুভমান গিলের গুজরাত টাইটান্সের মুখোমুখি হবেন বিরাট কোহলিরা। ছোট বাউন্ডারি ও দ্রুতগতির আউটফিল্ডের জন্য এখানে বরাবরই বোলারদের জন্য অপেক্ষায় করে থাকে দুর্দশা। বড় স্কোরও ওঠে নিয়মিত। আর তাই মরশুমের প্রথম হোম ম্যাচ আরসিবি বোলারদের জন্য হতে চলেছে অ্যাসিড টেস্ট।
এই মরশুমে অবশ্য বেঙ্গালুরুর পেস আক্রমণকে অনেক জমাট দেখাচ্ছে। নতুন বলে আক্রমণ শানাচ্ছেন জস হ্যাজলউড ও ভুবনেশ্বর কুমার। চলতি আসরে ওভারপ্রতি মাত্র ৫.৩৭ রান দিয়েছেন অজি পেসার। অন্যদিকে, সিএসকে ম্যাচে ভুবির ইকনমি রেট ৬.৬। শুভমান গিল, সাই সুদর্শন ও জস বাটলারকে নিয়ে গড়া টাইটান্সের টপ অর্ডারকে চাপে ফেলতে এই দুই পেসারই বড় ভরসা লাল-সোনালি ব্রিগেডের। তৃতীয় পেসার হিসেবে রয়েছেন বাঁ-হাতি যশ দয়াল। আরসিবি’র স্পিন বিভাগ অবশ্য ততটা তীক্ষ্ণ নয়। তবে ক্রুণাল পান্ডিয়া ইডেনে কলকাতার বিরুদ্ধে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গী স্পিনার হলেন সুয়াশ শর্মা। ব্যাটসম্যানকে আটকে রাখার চ্যালেঞ্জ তাঁদের উপরেও।
আরসিবি’র ব্যাটিং অবশ্য ঘরের মাঠে স্ট্রোকের ফুলঝুরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। ওপেনার ফিল সল্ট রয়েছেন বিধ্বংসী মেজাজে। প্রথম দু’টি ম্যাচে কোহলির সঙ্গে সল্টের প্রথম উইকেটের জুটিতে উঠেছে যথাক্রমে ৯৫ ও ৪৫। এই জুটি ভাঙতে গিলদের প্রধান অস্ত্র অবশ্যই কাগিসো রাবাদা। প্রোটিয়া পেসার সব ধরনের টি-২০ মিলিয়ে ১৪ ইনিংসে কোহলির উইকেট নিয়েছেন চারবার। আরসিবি’র প্রাক্তন পেসার মহম্মদ সিরাজও চাইবেন নিজেকে প্রমাণ করতে। বিরাটের বিরুদ্ধে তাঁর টক্কর ঘিরে আগ্রহ যথেষ্ট ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে। গুজরাতের স্পিন বিভাগে রয়েছেন রশিদ খান, সাই কিশোর। তাঁদের বিরুদ্ধে স্পিনে দক্ষ পাতিদারের লড়াই হতে চলেছে উপভোগ্য। জমজমাট ম্যাচের উত্তেজনায় অবশ্য জল ঢালতে পারে প্রকৃতি। বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে।