


বেঙ্গালুরু: আইপিএল মানেই ক্রিকেট ও বিনোদনের ককটেল। বাইশ গজে ঝড় তোলেন ক্রিকেটাররা। মাঠের বাইরে ডিজে, চিয়ারলিডারদের বিনোদন দর্শকদের কাছে হয়ে ওঠে বাড়তি পাওনা। প্রত্যেক বছরই কোটিপতি লিগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরেও থাকে দারুণ আগ্রহ। কারণ, হলিউড, বলিউডের তারকারা লাইভ পারফর্ম করে মঞ্চ মাতিয়ে তোলেন। তবে ছাব্বিশের আইপিএলে কোনও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হচ্ছে না। গত বছর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১১ জন ক্রিকেটপ্রেমী। আহত হয়েছিলেন অনেকে। আরসিবি’র বিজয়োৎসব বদলে গিয়েছিল বিভীষিকায়। প্রয়াত সমর্থকদের শ্রদ্ধা জানাতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন বিরাট কোহলিরা। ম্যাচের আগে প্র্যাকটিসের সময় তাঁরা ১১ নম্বর জার্সি পরবেন। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে বসছে স্মৃতিসৌধ। সেখানে খোদাই থাকবে ১১ জন প্রয়াত ক্রিকেটেপ্রেমীর নাম। গ্যালারিতে ১১টি আসনও সংরক্ষিত করা হচ্ছে। কয়েকদিন আগে এই ঘোষণাগুলি আরসিবি এবং কর্ণাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে করেছিল।
এবার সেই পথে হাঁটল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও। আসলে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের ঘটনা ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায়। এখনও কান পাতলে শোনা যায় স্বজনাহারাদের কান্না। এই অবহে আইপিএলের জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিতর্ক তৈরি করতে পারত। তাই এবছর তা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। তবে ফাইনালের দিন জমকালো সমাপ্তি অনুষ্ঠান হবে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান প্রাণ হারিয়েছিলেন। তাঁদের শ্রদ্ধা জানাতে সেবারও আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করেছিল বিসিসিআই।