


ইতালি- ২ : নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড-০
(টোনালি, কিন)
বারগামো: আপাতত স্বস্তি! বৃহস্পতিবার দেশের মাটিতে প্লে-অফের সেমি-ফাইনালে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের আশা জিইয়ে রাখল ইতালি। জয়ী দলের দুই গোলদাতা যথাক্রমে সান্ড্রো টোনালি ও ময়েস কিন। চূড়ান্ত পর্বের টিকিট পেতে মঙ্গলবার প্রতিপক্ষের ডেরায় ফাইনালে বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধে নামবে আজ্জুরিরা।
১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬— চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি। কিন্তু সাম্প্রতিককালে বাজ্জিও-মালদিনিদের দেশের উপর শনির দশা লেগেছে। ২০১৮-এর পর ২০২২ বিশ্বকাপেও যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি তারা। এবারও খেলতে হচ্ছে প্লে-অফে। বলার অপেক্ষা রাখে না, আজ্জুরিদের আত্মবিশ্বাস তলানিতে। বৃহস্পতিবার ম্যাচের আগেও কোচ জেনারো গাত্তুসো জানিয়েছিলেন, তিনি নার্ভাস। ঘরের মাঠ স্তাদিও দি বারগামোতে প্রথমার্ধে ফুটবলারদেরও নার্ভাস দেখা গেল। ছন্নছাড়া ফুটবল খেলে বিরতিতে যাওয়ার সময় সমর্থকদের রোষের মুখেও পড়েন বারেলা-ডিমার্কোরা। আর সেটাই তাঁদের তাতিয়ে দিল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের রীতিমতো উজ্জীবিত পারফরম্যান্স মেলে ধরেন গাত্তুসোর ছেলেরা। ৫৬ মিনিটে দলকে স্বস্তির লিড এনে দেন টোনালি (১-০)। বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটে জাল কাঁপান তারকা মিডিও। লিড পাওয়ার পর ম্যাচে রীতিমতো দাপাট দেখাল ইতালি। আর ৮০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে কার্যত জয় নিশ্চিত করে ফেলেন ময়েস কিন (২-০)। এই গোলেও অবদান রেখেছেন টোনালি। তাঁর ক্রস ধরে বিপক্ষ বক্সে একজনের বাধা সামলে লক্ষ্যভেদ কিনের। আর রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই উত্সবে মেতে উঠে স্তাদিও দি বারগামো। তবে গাত্তুসো ভালোমতোই জানেন কাজ এখনও শেষ হয়নি। কোচের কথায়, ‘মনে হচ্ছে, গোটা দেশের ভার যেন আমার কাঁধে। এই লড়াই একা লড়তে পারব না। অনুরাগীদের পাশে চাই। চলুন একসঙ্গে লক্ষ্যপূরণ করি।’
এদিকে, ওয়েলসকে পেনাল্টি শ্যুট-আউটে হারিয়ে প্লে-অফের ফাইনালে উঠেছে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। এছাড়া ফাইনালে মুখোমুখি হবে পোল্যান্ড-সুইডেন, চেকিয়া-ডেনমার্ক ও কসোভো-তুরস্ক।