


ফিরদৌস হাসান, শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের ঐতিহ্যবাহী ক্ষীর ভবানীর মেলা ঘিরে ছিল ব্যাপক উন্মদনা। প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ অষ্টমী তিথিতে গান্ধেরবাল জেলার তুলমুল্লা গ্রামে মেলার আয়োজন হয়। মেলা ঘিরে কাশ্মীরের পণ্ডিতদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। গত ১২ জুন শুরু হয় মেলা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অন্তত পাঁচ হাজার পণ্ডিত ও ভক্তরা এসেছিলেন। ২২ জুন বিশেষ ধর্মীয় আচারের মধ্যে দিয়ে মেলার সমাপ্তি ঘটে।
সোমবার ‘ভবানী মাতা কি জয়’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা মন্দির প্রাঙ্গণ। ভোরবেলা থেকে দেবীকে চাল ও দুধ দিয়ে তৈরি ‘ক্ষীর’ দিয়ে সন্তুষ্ট করেন ভক্তরা। রবিবারই দিল্লি, শ্রীনগর, জম্মু ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত প্রচুর ভক্ত তুলমুল্লায় পৌঁছে যান। দেবী রাগন্যাকে দর্শন করতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। মেলা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য স্বেচ্ছাসেবক ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি সম্প্রীতির নজর কেড়েছে এই মেলা। গ্রামের মুসলিম বাসিন্দারা নিজেদের বাড়ির দরজা ভক্তদের আশ্রয়ের জন্য খুলে দেন। তাঁদের চা ও জলের ব্যবস্থা করেন। স্থানীয় বাসিন্দা বিলাল আহমেদ বলেন, ক্ষীর ভবানীর মন্দির রক্ষার্থে আমাদের পূর্বপুরুষের অন্যতম ভূমিকা রয়েছে। কাশ্মীরের প্রতীক হয়ে উঠেছে মেলাটি। অন্যদিকে ক্ষীর ভবানী মন্দিরে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।