


বেঙ্গালুরু: ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৯। আইপিএলে ২৮তম হাফ-সেঞ্চুরি। শনিবার কোটিপতি লিগের উদ্বোধনী ম্যাচেই মেজাজে দেখা গিয়েছে বিরাট কোহলিকে। ‘চেজমাস্টার’ আরও একবার দেখিয়েছেন এই ঘরানায় কীভাবে রান তাড়া করা উচিত। কে বলবে, গতবছর আইপিএল ফাইনালের পর এদিনই প্রথম কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে নেমেছিলেন তিনি। আর তাতেই মুগ্ধ ক্রিকেট মহল। মাঝের সময়ে খুব বেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও খেলেননি। এমনিতে টেস্ট এবং টি-২০’তে টিম ইন্ডিয়ার জার্সি খুলে রেখেছেন ভিকে। খেলেন শুধু ওডিআই। তবুও শনিবার যে সাবলীল ভঙ্গিতে রান তাড়া করায় নেতৃত্ব দিয়ে দলকে জিতিয়ে ফিরেছেন ডাগ-আউটে, তাতে উচ্ছ্বসিত ভক্তরা।
গুণমুগ্ধের তালিকায় রয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিনও। জিওহটস্টারে এক অনুষ্ঠানে প্রাক্তন অফস্পিনার বলেছেন, ‘এই ফরম্যাটে কীভাবে খেলতে হয়, তারই যেন প্রদর্শনী দেখা গেল বিরাটের ব্যাটে। এই ইনিংসের পর ওর প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরও বাড়ল।’ ৩৭ বছর বয়সিকে প্রশংসায় ভরিয়ে অ্যাশের মন্তব্য, ‘এই বয়সেও দুরন্ত ক্ষিপ্রতায় খুচরো রান নিচ্ছে। ভাবাই যায় না। প্রথম সিঙ্গলস নেওয়ার সময় ও যখন অন্য প্রান্তে পৌঁছে দ্বিতীয় রানের কথা ভাবছে, তখন ওর পার্টনার হয়তো অর্ধেক পিচও অতিক্রম করেনি। এখনও এতটাই চটপটে বিরাট। লেগসাইডে বাউন্ডারি ছিল মাত্র ৫৭ মিটারের। কিন্তু সেখানেও দু’রান নিয়েছে।’
স্বয়ং বিরাটও খুশি নিজের পারফরম্যান্সে। ম্যাচ জিতিয়ে ফিরে কিং কোহলি বলেন, ‘কিছুদিন আগে ওডিআই সিরিজে খেলেছিলাম। ফিটনেস নিয়ে প্রচুর খেটেছি। এখন শুধু একটা ফরম্যাটই খেলি দেশের হয়ে। গত ১৫ বছর ধরে যে পরিমাণ ক্রিকেট খেলেছি, তাতে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল। এখন লম্বা বিরতিতে সুবিধা হয় নিজেকে ফিট রাখতে। যখন খেলতে আসি, তখন ১২০ শতাংশ তৈরি থাকি। বাড়তি বিশ্রামের ফলে শারীরিক ও মানসিকভাবে তরতাজা লাগে। কারও জায়গা আটকে রেখে খেলার কোনও মানে হয় না। দলের জয়ে অবদান রাখাই আমার কাজ।’