


দুর্গাপুজোর পরিকল্পনা শেয়ার করলেন অভিনেতা সাহেব ভট্টাচার্য।
• পুজোয় কলকাতাতেই থাকব। বরাবর কলকাতাতেই থাকি। পুজোর সময় কলকাতায় অদ্ভুত পজিটিভ এনার্জি থাকে। সকলেই সেলিব্রেশন মুডে থাকে। সবার জীবনেই সমস্যা থাকে। কিন্তু এই চারটে দিন সব সমস্যা সরিয়ে রেখে মানুষ আনন্দ করে। এত মানুষ সেজেগুজে সপরিবারে ঠাকুর দেখতে যান। তখন আর হাঁটতে অসুবিধে হয় না। কিন্তু বাড়ি থেকে পাড়ার মুদির দোকানে সারাবছর হেঁটে যেতে কষ্ট হয়। এই উন্মাদনা আর কোথাও বোধহয় পাওয়া যায় না। কোন মন্ত্রে যে এই চারদিন সব দুঃখ মানুষ ভুলে থাকতে পারে, তা সত্যিই আমাকে অবাক করে। পুজোর কলকাতা ম্যাজিক জানে।
ছোটোবেলায় ঠাকুর দেখতে যেতাম। এখন পুজো পরিক্রমার দৌলতে ভালো ভালো ঠাকুর দেখা হয়ে যায়। ছোটোবেলায় আমি উপহার পেতাম। আর এখন আমার সকলকে উপহার দেওয়ার পালা। ভূমিকা বদল হয়ে গিয়েছে। ছোটোবেলার পুজোর কিন্তু আলাদা মজা ছিল। পুজো এলেই স্কুলে ছুটি পরে যেত। নতুন জামাকাপড় কার ক’টা কেনা হল, সেটা গুনতাম। সেসময় খাওয়া দাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। বরং ক্যাপ বন্দুক জরুরি ছিল। নতুন জুতো আগে থেকে পরে নিতাম। যাতে পুজোর সময় পায়ে ফোস্কা না হয়। আর এখন মনে হয় পুজোর চারদিন ছুটি পেয়েছি পরিবারের সঙ্গে কাটাই। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই। ভাই-বোনেরা দেশের নানা প্রান্ত বা বিদেশ থেকে এসেছে, তাদের সময় দিই...।
বাঙালির কাছে অষ্টমীর অঞ্জলির আবেগ তো অন্যরকম। আমিও ব্যতিক্রম নই। আগের বছর অঞ্জলি দিয়েছিলাম সুস্মিতার (দে, অভিনেত্রী) সঙ্গে। দেখা যাক এবছর কী হয়...।