


কিয়েভ: আরও একটি অভিশপ্ত রাত কাটল কিয়েভের। সোমবার ভোররাতে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে একের পর এক আছড়ে পড়ল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন। মৃত্যু হল অন্তত ১১ জনের। জখম ৬০। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা। একমাসের মধ্যে এই নিয়ে তৃতীয়বার এধরনের বড়োসড়ো হামলার মুখে পড়ল ইউক্রেন। ইউক্রেন সরকারের দাবি, মোট ২৯ মিসাইল এবং একাধিক ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, রাজধানী শহরের মূলত দু’টি সরকারি এলাকায় একাধিক বিল্ডিংকে নিশানা করে রুশ বাহিনী।
একইসঙ্গে ইউক্রেনের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধসে পড়ার মতো ঘটনাও প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কিন প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র না থাকায় কোনো প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি ইউক্রেন বাহিনী। বিষয়টি স্বীকার করে ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর মুখপাত্র ইউরি ইহনাত বলেন, আমাদের আকাশ প্রতিরোধ ব্যবস্থার তীব্র ঘাটতি রয়েছে। তারই সুযোগ নিচ্ছে রাশিয়া। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির গলাতেও হতাশার সুর। মঙ্গলবার তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে বলেন, ‘ড্রোন ও ক্রুজ মিসাইল হামলা সফলভাবে প্রতিরোধ করছে আমাদের সেনা। কিন্তু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকানোর মতো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আমাদের হাতে নেই।’ যদিও মস্কোর দাবি, কিয়েভের অস্ত্র ও ড্রোন তৈরি এবং সামরিক সরঞ্জাম মেরামতির কারাখানা লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রুশ হামলা ৩১ জনের প্রাণ কেড়েছিল।