


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সোমবার নবান্নে বসছে শিল্প এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠক। শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের নেতৃত্বে এই মন্ত্রিগোষ্ঠী তৈরি হবে বলে আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে সোমবারের বৈঠক সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গিয়েছে, বিনিয়োগ সংক্রান্ত গ্রুপ অব মিনিস্টার্স বা মন্ত্রিগোষ্ঠীর বাকি সদস্যরা হলেন—অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ, পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং।
সূত্রের খবর, বিনিয়োগ টানতে প্রয়োজনীয় জমিনীতি থেকে শুরু করে বাণিজ্য সম্মেলনসহ শিল্প সংক্রান্ত বিবিধ ইস্যু নিয়ে এদিন বৈঠক হবে। ফলে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ টানার ক্ষেত্রে যে রূপরেখা চূড়ান্ত হবে, তার নিরিখে সোমবারের বৈঠক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। মনে করছে প্রশাসনিক মহল।
সরকারে আসার পর থেকে বিনিয়োগ টানতে সমস্ত রকমের পদক্ষেপ শুরু করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। ইতিমধ্যে আমুল, আদানি, শ্যাম স্টিল ও লাক্সের মতো শিল্পসংস্থার এরাজ্যে কয়েক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। আবার সেপ্টেম্বরে রাজ্যে বসতে পারে বাণিজ্য সম্মেলনের পসরা। ফলে বর্তমান রাজ্য সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পবান্ধব পরিস্থিতির কথা তুলে ধরারও বিষয় রয়েছে। এমন একাধিক বিষয়ের কথা মাথায় রেখেই সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার সময় মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠক সংক্রান্ত নোটিস জারি করা হয়েছে অর্থদপ্তরের তরফে। ক্ষুদ্রশিল্প সচিব, ভূমি ও ভূমি সংস্কার সচিব এবং শিল্পসচিবকেও বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। থাকবেন অর্থসচিবও।
শিল্পের জন্য জমিনীতিতে পরিবর্তন আনা হবে কি? এনিয়েও আলোচনা হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া দেশের বাকি সর্বত্রই ২০১৩ সালের ‘রাইট টু ফেয়ার কমপেনসেশন অ্যান্ড ট্রান্সপারেন্সি ইন ল্যান্ড অ্যাকুইজিশন রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড রিসেটেলমেন্ট আইন’ কার্যকর হয়ে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যে বর্তমানে চালু ডাইরেক্ট ল্যান্ড পার্চেজ পলিসির বিষয়গুলির কিছুটা ধরে রেখে, কীভাবে এই আইনের নয়া রুল আনা যায়, সে বিষয়টিও সোমবারের আলোচনায় উঠে আসতে পারে। থাকতে পারে শহর এলাকার বর্গা ইস্যুও।