


নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ আবহে টান পড়েছিল এলজিপি সরবরাহে। বিকল্প হিসাবে পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস বা পিএনজির ব্যবহার বাড়াতে বিশেষ জোর দিয়েছে সরকার। তাতে উপকারও মিলছে বলে দাবি কেন্দ্রের। পেট্রলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর (২০২৬) এপ্রিল-আগস্ট মাসে এলপিজির ব্যবহার ১৬ শতাংশ কমেছে। ১৩.৪ মিলিয়ন টন থেকে তা নেমে এসেছে ১১.৩ মিলিয়ন টনে। ২০২৫-এর তুলনায় শুধু এবছরের আগস্টেই চাহিদা ২.৯ মিলিয়ন টন থেকে কমে ২.৪ মিলিয়ন টন হয়েছে।
সরকার যতই এই পরিসংখ্যানকে সাফল্য হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা করুক, তথ্যাভিজ্ঞ মহল কিন্তু অন্য যুক্তি তুলে ধরছে। তাদের বক্তব্য, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের সময় দীর্ঘদিন হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল। সেই সময় জ্বালানির আকাল ঠেকাতে দেশে এলপিজির সরবরাহে নানা রকম বিধিনিষেধ জারি করেছিল মোদি সরকার। সেকারণেই ব্যবহার কমেছে। এলপিজির ব্যবহার কমলেও পেট্রল ও ডিজেলের চাহিদা এই সময়কালে অনেকটা বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের এপ্রিল-আগস্ট মাসের তুলনায় চলতি বছরের একই সময় পেট্রলের চাহিদা ১৭.৮ মিলিয়ন টন থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮.৯ মিলিয়ন টনে। অন্যদিকে, ডিজেলের চাহিদা বেড়েছে ৬.৪ শতাংশ। এর মধ্যে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ আবহে ভারতে জ্বালানি রপ্তানিকারী দেশ হিসাবে প্রথম সারিতে উঠে এসেছে আমেরিকা।