


সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনে শুক্রবার মাদারিহাটে এল ফরেন্সিক টিম। গত সোমবার সকালে বনদপ্তরের মাদারিহাট রেঞ্জ অফিস চত্বরে মাহুত বিনোদ ওরাওঁয়ের কোয়ার্টার থেকে পুলিস উদ্ধার করে তাঁর সৎমা, ছেলে ও ছোট ভাইয়ের দেহ। কোয়ার্টারের একটি রুমে উদ্ধার হয় বিনোদের ভাই রবির ঝুলন্ত দেহ। ওই রুমের বিছানা থেকে উদ্ধার হয় বিনোদের ছেলে বিবেকের দেহ। তাঁর মুখে রক্ত লেগে ছিল। পাশের রুমের কাঠের মেঝে থেকে উদ্ধার হয় বিনোদবাবুর সৎমা বিবি লোহার ওঁরাওয়ের দেহ। প্রৌঢার মুখেও রক্ত লেগে ছিল।
ঘটনার পরই পুলিস কোয়ার্টারটি সিল করে। এদিন ফরেন্সিক টিমের সদস্যরা কোয়ার্টারে তল্লাশি চালায়। সেখানে কোয়ার্টারের রান্নাঘর থেকে একটি ছুড়ি উদ্ধার হয়। ফরেন্সিক টিমের সদস্যরা ঘরের বিছানা ও কাঠের মেঝেতে লাগা রক্তের রক্তের নমূণা সংগ্রহ করেন। যদিও ঘটনার তদন্তে আসা ফরেন্সিক টিমের সদস্যরা কেউই মুখ খোলেননি।
পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, মাদারিহাটে একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে শুক্রবার ফরেন্সিক টিমের সদস্যরা এসেছিল। ওই কোয়ার্টার থেকে একটি ধারাল অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
পুলিস জানতে পেরেছে, সৎমার পেনশন অ্যাকাউন্ট থেকে ঋণ নিয়ে বাড়ি করেছিল বিনোদ। তা নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল ভাই রবি। এনিয়ে সৎমার সঙ্গে বচসাও হত বিনোদের। সেই বচসায় রবি মাকে সমর্থন করত। এদিকে, চাকরি না পাওয়ার জন্য মানসিক অবসাদেও ভুগছিল রবি।