


নয়াদিল্লি, ১০ অক্টোবর: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজধানী। সাউথ অ্যাভিনিউয়ে ধরনায় বসেছিলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে তাঁকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। একই সঙ্গে আটক করা হয়েছে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ও ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে।
আটকের পর বিজেপিকে তীব্র নিশানা করে মমতা বলেন, ‘যন্তরমন্তরে যেতে দেয়নি। এখানেও বসতে দেয়নি। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বসে ছিলাম। তাহলে ভাবুন, গোটা দেশে কী চলছে?’ এরপরেই তিনি বলেন, ‘উই ডোন্ট কেয়ার।’
সূত্রের খবর, দিল্লি পুলিশের তরফে মমতাকে জানানো হয়, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। তাই এই মুহূর্তে এখানে কোনো রকম ধরনা বা কোনো প্রকারের অবস্থান বিক্ষোভ করা যাবে না এবং পাঁচজনের বেশি জমায়েতে অনুমতি দেওয়া হবে না। তবুও ধরনা প্রত্যাহার না করায় তাঁকে আটক করা হয়। এদিনই মমতার পাশাপাশি কেরালার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই-সহ সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবিকেও যন্তরমন্তর যাওয়ার পথেই আটক করে দিল্লি পুলিশ।
মমতা তৃণমূলের হয়ে এআইটিসি-র তরফে এক্সে পোস্ট করে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করা হয়। তাদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, ‘সুপার ইমার্জেন্সি চলছে। নরেন্দ্র মোদি, আপনার এত ভয় কীসের? আপনি কি একেবারেই ভুলে গেছেন যে ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ এবং প্রত্যেক ব্যক্তির প্রতিবাদ করার অধিকার আছে?’