


সন্দীপ বর্মন, মাথাভাঙা: ঘোকসাডাঙার ছোট শিমূলগুড়ি হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন মাঠে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় উপচে পড়ল মানুষের ভিড়। রাস্তায় জনজোয়ার যেমন ছিল, তেমনই মাঠের আল ধরে প্রচুর মানুষ জনসভার মাঠে হাজির হয়। মহিলাদের ভিড় ছিল নজরকাড়া। কাতারে কাতারে মানুষ বৃহস্পতিবারের জনসভায় ভিড় করে। দুপুর ১টা নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী সভাস্থলে আসতেই মহিলারা দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানায়। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ যখন শুরু হয় তখন সভার মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ। জাতীয় সড়কেও দাঁড়িয়ে প্রচুর মানুষ। মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের কথা বলতেই মহিলারা দাঁড়িয়ে উঠে উলুধ্বনী দিতে শুরু করেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করেছি ৫০০ টাকা দিয়ে। এখন মহিলারা পান ১৫০০ ও ১৭০০ টাকা। বিহারে বিজেপি মহিলাদের স্বনির্ভর করতে টাকা দিয়েছিল। এখন বুলডোজার চালাচ্ছে। টাকা ফেরত চাইছে। আমরা আগে বলি না, কাজ করে তারপর বলি। বিজেপি একটি জুমলা পার্টি। ওরা শুধু মিথ্যা কথা বলে। দুয়ারে স্বাস্থ্য শিবির করার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। এদিন শুধু মহিলারা নয়, প্রচুর কম বয়সি মেয়েরাও উপস্থিত ছিল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছিলাম ১০ লক্ষ টাকার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড করে দেব, সেটা করে দিয়েছি। সভায় আসা কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের চোখেমুখে তখন কৃতজ্ঞতার ছবি।
এদিন ভাষণ দেওয়ার সময়ে মুখ্যমন্ত্রী যখন জানান, এখন থেকে মহিলারা আজীবন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবে, তখন সভায় আসা মহিলারা দাঁড়িয়ে উলুধ্বনি দিয়ে ধন্যবাদ জানায় মমতাকে। সভামঞ্চের সামনের দিকে ছিল মহিলাদের থিকথিকে ভিড়। সভায় রাখা বক্তব্যের শেষের দিকে রাজবংশী ভাষায় বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। বারবার প্রশংসা করেন ভাওয়াইয়া গানের। মাঠ দিয়ে কাতারে কাতারে মানুষ যেমন সভার মাঠে এসেছিল, তেমনই সভা শেষ হতেই মাঠের আলপথে মানুষ লাইন দিয়ে বেরিয়ে যায়। সভায় অগুনতি মানুষের ভিড় দেখে চওড়া হাসি ধরা পড়ে মাথাভাঙার তৃণমূল প্রার্থী সাবলু বর্মনের মুখে। • তৃণমূল সুপ্রিমোর ছবি নিয়ে ঘোকসাডাঙার সভায় মহিলা। - নিজস্ব চিত্র।