


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নির্বাচনের মুখে দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক মণীশ মিশ্র ও শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সি সুধাকরকে কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনে চেয়ে পাঠাল অমিত শাহের মন্ত্রক। যা নিয়ে জোর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু’র সফরে ‘প্রোটোকল লঙ্ঘন’এর অভিযোগকে ঘিরেই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ বলেই ধরে নিয়েছে প্রশাসনিক মহল।
আসন্ন নির্বাচনে আইএএস-আইপিএসদের ভুমিকা ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্যের দ্বৈরথ অব্যাহত। তার মাঝে তড়িঘড়ি দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক বদলানো নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ, মণীশ মিশ্রকে কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনে জন্য ‘রিলিজ’ না দিয়ে তাঁকে রাজ্য স্বরাস্ট্র দপ্তরের বিশেষ সচিব করা হয়েছে। অর্থাৎ, পোস্টিং হল নবান্নে। দার্জিলিংয়ের নতুন জেলাশাসক করা হয়েছে ১৯৯৪ ব্যাচের ডব্লুবিসিএস অফিসার সুনীল আগরওয়ালকে।
নবান্ন সূত্রে খবর, আগামি তিনদিনের মধ্যে মণীশ মিশ্র এবং সি সুধাকরকে দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। অভিজ্ঞ আমলাদের মতে আধিকারিকদের ডেপুটেশনে ছাড়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ভাবে নির্ভর করে রাজ্য সরকারের উপর। প্রসঙ্গত, ঠিক তাঁর অবসরের আগে প্রধানমন্ত্রীর প্রোটোকলের ইস্যুতে তৎকালীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠিয়েছিল ডিওপিটি। ২০২০ সালে তৎকালীন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনার জেরে দিল্লিতে তলব করা হয়েছিন তিন আইপিএস আফিসারকে। সব ক্ষেত্রেই আধিকারিকদের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্য। ফলে এক্ষেত্রেও তার ব্যাতিক্রম হবে না বলেই মত ওয়কিবহাল মহলের। আবার শুক্রবার সন্ধ্যায় নীতিন সিংঘানিয়াকে কেএমডিএ’র সিইও পদে নিয়ে এসে সুরেন্দ্র মিনাকে মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক করা হয়েছে।