


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: তিন বছরে টার্গেট আরো তিন কোটি। আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে গোটা দেশের গ্রামাঞ্চলে স্বনির্ভর প্রকল্পের মাধ্যমে ৬ কোটি ‘লাখপতি দিদি’র রেকর্ড করতে চায় মোদি সরকার। কিন্তু এই কাজ যে সহজ নয়, তা স্বীকার করে নিয়েছেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। বিশেষত, বছরে মহিলাদের এক লক্ষ টাকা উপার্জন করানোর এই প্রকল্পে অনেক সময়ই ব্যাংক থেকে ঠিক মতো ঋণ মেলে না বলেই অভিযোগ। তাই সরকারি তো বটেই, বেসরকারি ব্যাংকগুলিও যাতে গ্রামের মহিলাদের ঋণ দেয়, তার চেষ্টা করছেন মন্ত্রী।
সম্প্রতি মন্ত্রকের আধিকারিক এবং সরকারি বেসরকারি ব্যাংক আধিকারিকদের সামনেই তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার ভাষণ থেকে টার্গেট দিয়েছেন ৬ কোটি লাখপতি দিদি করতে হবে। এখন আছে তিন কোটি। এই প্রথম তিন কোটিতে পৌঁছানো অনেক সহজ ছিল। কেননা, তখন গ্রামের মহিলাদের অনেকেই স্বনির্ভর প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই বছরে ৬০-৮০ হাজার টাকা উপার্জন করছিলেন। ফলে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া টার্গেট পূরণ করতে হলে যে সব মহিলা ৩০-৫০ হাজার টাকা বছরে উপার্জন করে, তাদের লাখপতি দিদিতে পরিণত করতে হবে। যা মোটেই সহজ নয়। তাই ব্যাংকগুলিকে এগিয়ে আসতেই হবে। বৈঠকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা, রাজ্য গ্রামীণ জীবিকা মিশনের আধিকারিক, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, নাবার্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। একদিকে ব্যাংক তার ঋণ দিতে নিয়মে কড়াকড়ি, অন্যদিকে সময় মতো ৬ কোটি লাখপতি দিদির সংখ্যায় পৌঁছনোর টার্গেট পূরণের খাঁড়া মাথায় ঝুলছে। মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান শেষমেশ ব্যাংকগুলিকেই ঋণ প্রক্রিয়া সহজ করার অনুরোধ করেছেন।