


নয়াদিল্লি, ১০ অক্টোবর: রণক্ষেত্র রাজধানী। অভিনেতা থেকে রাজনৈতিক নেতারা। কাউকে ছাড় নয়। একেবারে মাছি গলার উপায় নেই। আগেই আটক করা হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির তিন মাথাকে। অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাদের দিল্লিতে বিমান অবতরণ করতেই তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। আইসা নেত্রী নেহা বোরাকেও আটক করা হয়েছে। এছাড়াও আটক করা হয়েছে দেশের ৪ রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। জমায়েত দেখলেই চলে ধরপাকড়। বন্ধ করে দেওয়া হয় মেট্রো-ট্রেন পরিষেবা। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত জানা যাচ্ছে প্রায় ৩০০০ ছাড়িয়েছে আটকের সংখ্যা। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র ও সাংসদ সম্বিত পাত্র সিজেপির আজকের কর্মসূচিকে কটাক্ষ করে বলেন ‘ফ্লপ শো’।
শুধু নেতা-মন্ত্রীদেরই নয়। ইনফ্লুয়েন্সার থেকে সাংবাদিকদেরও ছেড়ে কথা বলেনি দিল্লি পুলিশ। সকালেই ধ্রুব রাঠিকে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা হয়। দিল্লির পাশাপাশি মুম্বাইতেও এদিন সিজেপির ডাকে আন্দোলনে নামে নাগরিক সমাজ। সূত্রের খবর, মুম্বই থেকে আটক করা হয়েছে প্রায় ২০০ বিক্ষোভকারীকে। এছাড়াও সেখানের কর্মসূচিতে শামিল হয়েছিলেন অভিনেতা ইমরান খান। তাঁকেও এদিন আটক করা হয়েছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করেছেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, ‘দেশে অস্থিরতা তৈরি করতে চান রাহুল গান্ধীরা। আপনাদের পরিকল্পনা কোনোদিনও সফল হবে না।’