


•গোটা রাজ্যে এখন সূর্যের চোখ রাঙানোর দিন। চালিয়ে ব্যাট করছে গ্রীষ্ম। যতটা রান তুলে রাখা যায় আরকি! গলদঘর্ম অবস্থায় কখনো অফিস, কখনো নিমন্ত্রণ সামলাচ্ছেন সকলে। এই আবহাওয়ায় সুতির পোশাক ছাড়া অন্য কিছুর কথা ভাবাই যায় না। শাড়ি তো সারা বছরের স্টাইল স্টেটমেন্ট। কিন্তু মাঝেমধ্যে অন্য পোশাক পরেও ফ্যাশন করা যায়। আর শাড়ি সামলাতে অসুবিধে হলে অন্য ধরনের পোশাকই একমাত্র অপশন। ‘চতুষ্পর্ণী’-র ফ্যাশন শ্যুটে প্রবল গরমের কথা মাথায় রেখে পোশাক নির্বাচন করা হয়েছে। অভিনেত্রী পায়েল দে বরাবরই সুতির পোশাক পছন্দ করেন। তিনি আরামকে প্রাধান্য দেন। প্রথমে বেছে নিলেন কুর্তা ও পাজামা। মেরুন কুর্তার গলা ও হাতা কটকি কাপড়ে তৈরি। আর গলার নীচে রয়েছে বর্গাকৃতি প্যাচওয়ার্ক। তার মধ্যে হাতে আঁকা শ্রীকৃষ্ণ। কুর্তার পাশে দড়ি দিয়ে বেঁধে স্টাইলিং করা হয়েছে। ছোট্ট কালো টিপ, হাতে ঘড়ি, খোলা চুলে নো মেকআপ লুক তৈরি করা হয়েছে। অভিনেত্রী যেন সাইকেল চালিয়ে পাড়ায় বেরিয়ে পড়েছেন। একেবারে পাশের বাড়ির মেয়ের মতোই সহজ সুন্দর অভিব্যক্তি তাঁর। পায়েলের দ্বিতীয় পোশাকটি ওয়ান পিস ড্রেস। হাঁটুর নীচ পর্যন্ত ঝুল। হাতে এবং নীচের অংশে সাদা লেসের কাজ। নিয়ন সবুজ রংটি গরমের জন্য আদর্শ। ঠিক মাঝখানে আঁকা একটি মেয়ের মুখ। তাকে ঘিরে রয়েছে ফুলের সাজ। এই ডিজাইন পোশাকটিকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে। সাদা স্নিকার্স পরেছিলেন পায়েল। কানে স্টাড এবং হাতের ঘড়িতেই সাজ সম্পূর্ণ। আসলে গরমের দিনে যত কম মেকআপ করা যায়, তত ভালো। প্রতিদিনের কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের পোশাক পরতে পারেন। আবার স্কুল, কলেজ পড়ুয়ারাও এই ড্রেসে ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তৈরি করতে পারেন। সুতির সাধারণ লুকে মেকআপের আধিক্য কম থাকাই ভালো। পোশাক বা মেকআপ কোনো কিছুই যেন ব্যক্তিত্বকে ছাপিয়ে না যায়, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি। তবেই আপনি সর্বাঙ্গসুন্দর হয়ে উঠবেন।
স্বরলিপি ভট্টাচার্য