


‘আমরা কে কোথা থেকে আসছি, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। এই অন্ধকার প্রেক্ষাগৃহে বসে একসঙ্গে হাসছি, কাঁদছি, আবেগে ভাসছি... এটাই আসল। এটাই সিনেমা’, এভাবেই সিনেমার সংজ্ঞা ব্যাখ্যা করলেন টম ক্রুজ। প্রায় সাড়ে তিন দশক অপেক্ষার শেষে রবিবার সন্ধ্যায় (মার্কিন সময় অনুযায়ী) প্রথমবার সাম্মানিক অস্কার হাতে নিলেন তিনি। আবেগঘন এক মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন লস এঞ্জেলসের দ্য রে ডলবি বলরুমে উপস্থিত দর্শক।
কথায় আছে ‘সবুরে মেওয়া ফলে’। সেটাই যেন সত্যি হল টমের জীবনে। ৩৫ বছর আগে প্রথমবার অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনি। তারপরও বেশ কয়েকবার মনোনীত হয়েছিলেন নায়ক। কিন্তু কোনওবারই ভাগ্য সহায় ছিল না। অবশেষে কেরিয়ারের প্রথম সাম্মানিক অস্কার হাতে উঠল ‘মিশন ইমপসিবল’-এর ইথান হান্টের। পর্দার মতো বাস্তবেও অসম্ভবকে যেন সম্ভব করলেন তিনি। পাশাপাশি, কোরিওগ্রাফার ডেবি অ্যালেন ও ‘ডু দ্য রাইট থিং’ ছবির প্রোডাকশন ডিজাইনার উইন থমাস, ডলি পার্টন সাম্মানিক অস্কার পেয়েছেন। উল্লেখ্য, ১৯৯০-এ ‘বর্ন অন দ্য ফোর্থ অব জুলাই’-এ প্রথমবার প্রতিযোগিতামূলক অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিলেন। এরপর সেরা অভিনেতার মনোনয়ন এসেছিল ১৯৯৭-এ ‘জেরি ম্যাগুয়ের’-এর হাত ধরে। ২০০০ সালে ফের মনোনয়ন। এবার সহ অভিনেতা বিভাগে। সৌজন্যে ‘ম্যাগনোলিয়া’। ২০২৩-এ ‘টপ গান: মেভরিক’-এর প্রযোজনা টমকে অস্কার মনোনয়ন পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছিল। সেসব পেরিয়ে এবার বিনোদন দুনিয়ায় এত বছরের অবদানের জন্য পেলেন সাম্মানিক অস্কার। • অস্কার হাতে টম। ছবি: পিটিআই