


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কাচের সামনে তারের জাল। তা ভেদ করে খুঁজতে হবে ফুটবলারদের। কভারেজ তো দূরের কথা, খেলা দেখাই দায়। পারলে আতসকাচ প্রয়োজন। এখানেই শেষ নয়, আরও আছে। দর্শকের ভিড়ে মোচার খোলার মতো জেগে রইল প্রেসবক্স। অব্যবস্থার তালিকা আরও লম্বা। ইন্টারনেট এখন লোকের হাতে হাতে। কিন্তু বারাসতে নেট কানেকশন ঠেলাগাড়ির চেয়েও মন্থর। প্লাগ পয়েন্ট নেই অর্ধেক জায়গায়। ডার্বির মতো হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের কভারেজের অযোগ্য। ঘরোয়া লিগের জমজমাট ডার্বি জমাতে কসুর করেনি আইএফএ। কিন্তু আয়োজকদের গোড়ায় গলদ। বঙ্গ ফুটবল সংস্থাও দায় এড়াতে পারে না। এবিষয়ে আইএফএ সচিবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি নিরুপায়। ছোটো স্টেডিয়ামে সীমিত পরিকাঠামোয় ম্যাচ আয়োজন করা সত্যিই সমস্যার। তবু আন্তরিকভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে।’ গ্যালারিতে জলের ব্যবস্থা ছিল পর্যাপ্ত।
প্রায় ৮ বছর পর ফুটবল ফিরেছে বারাসত স্টেডিয়ামে। বড়ো ম্যাচ ঘিরে উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। স্থানীয় বিধায়ক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। প্রশাসন ও পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বারবার বৈঠকে বসেন আইএফএ সচিব। কিন্তু ভদ্রস্থ প্রেস বক্স ন্যূনতম চাহিদা। কাচে ঘেরা বক্সে বসলেন ভিআইপিরা। আর প্রেস বক্স? ঢাকার কুট্টি দেখলে সহাস্যে বলতেন, ‘আস্তে কন কত্তা। ঘোড়ায় হাসব যে।’