


নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: মঙ্গলবার থেকে কৃষি বিপণন দপ্তর আলু কিনতে শুরু করায় স্বস্তি পেলেন চাষিরা। কো-অপারেটিভ কোল্ড স্টোরেজগুলি আলু কিনতে শুরু করেছে। অন্যান্য হিমঘরও আলু কিনতে ময়দানে নামছে। এদিন মেমারি থানা এলাকায় চাষিদের থেকে আলু কেনা হয়। রাজ্যের কৃষি বিপণন দপ্তরের মন্ত্রী বেচারাম মান্না বলেন, অন্যান্য রাজ্যেও আলুর ব্যাপক ফলন হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত বা পাঞ্জাবের সরকার চাষিদের পাশে দাঁড়ায়নি। আমরা সর্বদা কৃষকদের পাশে থাকি। এবারও চাষিদের থেকে আমরা আলু কিনতে শুরু করেছি। ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক চাষিদের জন্য হিমঘরে জায়গা সংরক্ষণ করা হয়েছে। চাষিরা বলেন, সরকার পাশে না দাঁড়ালে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হত। মাঠে সাড়ে চার টাকা কেজি দরে আলু কিনছেন ব্যবসায়ীরা। অনেক জায়গায় আলু বিক্রি করার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। চাষি বাবু চৌধুরী বলেন, চাষিদের সহযোগিতা করার জন্য প্রতিটি হিমঘর কর্তৃপক্ষের এগিয়ে আসা উচিত। সরকার সাড়ে ন’টাকা কেজি দরে আলু কেনার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভালই করেছে। তবে সব জায়গাতেই ক্যাম্প করে আলু কেনার দরকার। চাষি ইন্দাদ খান বলেন, সরকারের কাছে আলু বিক্রি করতে পারলে লাভের মুখ দেখা যাবে। খোলা বাজারে দাম অনেকটাই কমে গিয়েছে। বাইরের রাজ্যে আলুর ফলন বেশি হয়েছে। কৃষি বিপণন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সুফল বাংলা স্টলে আলু বিক্রি করার জন্য সরকার সরাসরি আলু কিনতে শুরু করেছে। চাষিদের সুবিধার জন্য হিমঘর মালিকদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করা হয়েছে। তাঁরা পুরোদমে ময়দানে নামলে আরও বেশি সংখ্যক চাষি উপকৃত হবেন। এক আধিকারিক বলেন, চলতি সপ্তাহ থেকেই সব এলাকার চাষিদের থেকে আলু কেনা হবে।