


নয়াদিল্লি: মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলে! জ্যোতিবা ফুলে নামেই তাঁকে চেনে আপামর ভারতবাসী। শুক্রবার মহান এই সমাজ সংস্কারকের জন্ম দ্বিশতবার্ষিকীর সূচনা হল। সেই উপলক্ষ্যে কলম ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, ‘আজ ১১ এপ্রিল দিনটি আমাদের সকলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকের এই দিনে ভারতে মহান এক সমাজ সংস্কারক মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সকলকে পথ দেখিয়েছেন। এবছর তাঁর জন্মের দ্বিশতবার্ষিকী উদযাপন শুরু হচ্ছে।
যে আন্দোলনকে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং যে প্রতিষ্ঠানগুলি তিনি গড়ে তুলেছেন, সেগুলি সবই চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছে। আমাদের সভ্যতার চলার পথে যে আশা তিনি জুগিয়েছেন, দেশের কোটি কোটি মানুষের মনে যে সাহস ও আস্থা তিনি সঞ্চারিত করেছেন, তা ভোলার নয়।’
জ্যোতিরাও ফুলের স্ত্রী, দেশের নারী শিক্ষা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ সাবিত্রীবাঈ ফুলের কথাও উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর কলমে। জানিয়েছেন, মহাত্মা ফুলের প্রয়াণের পর সাবিত্রীবাঈ তাঁর অসমাপ্ত কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য এগিয়ে আসার কথাও। মোদি আরও লিখেছেন, ‘শিক্ষার বিষয়ে মহাত্মা ফুলের ভাবনা-চিন্তার অনুপ্রেরণায় গত দশকে আমরা গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছি।’ দরিদ্র এবং পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে মহাত্মা ফুলের আন্দোলনের বিষয়টিও তুলে ধরেছেন তিনি। বিশেষ করে ‘সত্যশোধক সমাজ’-এর মাধ্যমে সামাজিক সংস্কারমূলক আন্দোলন গড়ে তোলার কথা। মহাত্মা ফুলের জন্মের দ্বিশতবার্ষিকী উদযাপনের আবহে অসাম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার বার্তাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর আশা, মহাত্মা ফুলে অতীতের মতোই ভবিষ্যতেও ভারতকে পথ দেখাবেন।