


নিউ ইয়র্ক: লুই এনরিকের প্রশিক্ষণে স্বপ্নের ফর্মে পিএসজি। স্প্যানিশ কোচের হাত ধরে ইতিমধ্যেই উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ধরে তুলেছে প্যারিসের ক্লাবটি। স্বাদ পেয়েছে প্রথম ত্রিমুকুটেরও। এবার ক্লাব বিশ্বকাপে সেই ছন্দ ধরে রেখেছে তারা। বুধবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদকে নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করলেন ডেম্বেলে-হাকিমিরা। এমবাপেদের চার গোলের মালা পরিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল পিএসজি। জোড়া গোলে ম্যাচের নায়ক ফাবিয়ান রুইজ। এছাড়া স্কোরশিটে নাম তোলেন ওসুমানে ডেম্বেলে ও গনসালো র্যামোস। রবিবার খেতাবি লড়াইয়ে চেলসির মুখোমুখি হবে এনরিকে-ব্রিগেড।
গত মরশুমে পিএসজি ছাড়ার পর বুধবারই প্রথম প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন কিলিয়ান এমবাপে। তবে গোটা ম্যাচে বেশ নিষ্প্রভ দেখায় তাঁকে। হাকিমি-মার্কুইনহোসদের জমাট রক্ষণে দাঁত ফোটাতে পারেননি ফরাসি তারকা। বরং ডিফেন্ডারদের ব্যর্থতায় প্রথম দশ মিনিটে দু’গোল হজম করে রিয়াল। ষষ্ঠ মিনিটে বক্সে বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন রাউল আসেন্সিও। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন ফাবিয়ান রুইজ (১-০)। এই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই দায়িত্ব নিয়ে দলকে ডোবান রুডিগার। অরক্ষিত অবস্থায় বল ধরেও তা প্রতিপক্ষ ফুটবলারের পায়ে তুলে দেন জার্মান ডিফেন্ডারটি। তা থেকে জাল কাঁপান ডেম্বেলে (২-০)।
শুরুতেই দু’গোল পিছিয়ে পড়তেই তাল কাটে রিয়ালের। এরপর অবশ্য ব্যবধান কমানোর জন্য ঝাঁপান এমবাপেরা। তবে পিএসজি রক্ষণে হুল ফোটাতে ব্যর্থ তাঁরা। বরং ২৪ মিনিটে প্রতি-আক্রমণ থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি সেরে ফেলেন রুইজ। বক্সের ডানদিক থেকে হাকিমির বাড়ানো পাস ধরে গোল করতে ভুল হয়নি এই স্প্যানিশ উইঙ্গারের (৩-০)। এরপর মূলত পজেশনাল ফুটবলের উপর জোর দেন কোচ এনরিকে। ম্যাচের শেষলগ্নে আরও একবার রিয়াল ডিফেন্সকে নাকানিচোবানি খাইয়ে কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামান গনসালো র্যামোস (৪-০)।
ক্লাব বিশ্বকাপে বিদায়ের দিনেই রিয়ালের জার্সিতে শেষ ম্যাচটি খেলে ফেললেন লুকা মডরিচ। চলতি মরশুম শেষে দল ছাড়ার কথা আগেই জানিয়েছিলেন ক্রোট তারকা। তবে এভাবে লজ্জার হারের মধ্যে দিয়ে বিদায় নিতে হবে, তা হয়তো কল্পনা করেননি তিনি।
পিএসজি- ৪ : রিয়াল মাদ্রিদ- ০
(রুইজ-২, ডেম্বেলে, র্যামোস)