


• কবিগুরুর প্রয়াণের পর তাঁর অগ্রজ দ্বিজেন্দ্রনাথের পৌত্র সৌমেন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠা করেন ‘বৈতানিক’। ১৯৪৯ সালে রবীন্দ্র জন্মোৎসব জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সেই সময় ছাত্রছাত্রীদের রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশনার সঙ্গে আলোচনায় ছিলেন স্বয়ং সৌমেন্দ্রনাথ। সেই ধারা আজও অব্যাহত। বৈতানিকের ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর থেকে যোগ হয়েছে ‘শতকণ্ঠে রবীন্দ্র প্রণাম’। ঐতিহ্য অনুসারে এবারেও সেই ধারা অক্ষুণ্ণ রাখা হল। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির মহর্ষি ভবনে কবির জন্মোৎসব আয়োজিত ‘হে মোর দেবতা’ শীর্ষক কাব্যলেখ্যটিতে শতকণ্ঠে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বৈতানিকের সদস্যরা। কল্যাণী ঘোষ ও সব্যসাচী হাজরার কণ্ঠে পরিবেশিত ‘হে মোর দেবতা’ গানটি দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত হয় ‘সুন্দর বটে তব’, ‘আমার মন যখন’, ‘প্রলয় নাচন’ ইত্যাদি গানে সমৃদ্ধ অনুষ্ঠানটি জমজমাট হয়ে ওঠে। তথ্য সহযোগে আলোচনায় বিপ্লব বসু অনবদ্য। বনানী দে পরিচালিত এই অনুষ্ঠানটিতে যন্ত্রসঙ্গীতে সহযোগিতা করেন বাসুদেব চক্রবর্তী, পিন্টু হালদার ও প্রীতম চক্রবর্তী।