


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: লাগাতার নজরদারি সত্ত্বেও ট্রেনে এবং রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে বৃদ্ধি পাচ্ছে অবৈধ হকার। ফলে অনেক সময়ই রেল যাত্রীরা অতিরিক্ত টাকা দিয়ে খাবার কিনে খেতে বাধ্য তো হচ্ছেনই। এমনকি অবৈধ হকারের কাছ থেকে গুণগত মান না থাকা খাবার কিনে খেয়ে অসুস্থও হয়ে পড়ছেন কেউ কেউ। খাবারের পাশাপাশিই অবৈধ হকারদের কাছ থেকে অন্যান্য সামগ্রী কিনেও অনেক সময় প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ রেল যাত্রীরা। বিভিন্ন সময় যাত্রীদের একাংশের কাছ থেকে এমন গুরুতর অভিযোগ পাচ্ছে রেল বোর্ড। সমস্যার সুরাহায় রেল জানিয়েছে, এহেন সমস্যার সুরাহায় এবার থেকে মন্ত্রকের লাইসেন্স প্রাপ্ত হকারদের কিউআর কোড সমেত সচিত্র পরিচয়পত্র দেওয়া হচ্ছে। সেই কিউআর কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট হকারের নাম, আধার নম্বর, মোবাইল, পুলিসি যাচাইয়ের সঙ্গে যুক্ত যাবতীয় তথ্য, এমনকি শারীরিক সুস্থতা সংক্রান্ত তথ্যও পেয়ে যাবেন রেল যাত্রীরা। ফলে ওই হকার বৈধ নাকি অবৈধ কিংবা তিনি রেলের স্থির করে দেওয়া গুণগতমান রেখেই খাবার বিক্রি করছেন কি না, তা নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকবে না। একইসঙ্গে রেলমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আইআরসিটিসির ‘বেস কিচেন’ থেকে তৈরি খাবারই ট্রেনের প্যান্ট্রি কারে গরমের পর যাত্রীদের মধ্যে পরিবেশন করা হচ্ছে কি না, সেই ব্যাপারেও বিভিন্ন সময় সংশয় প্রকাশ করেন রেল যাত্রীদের একটি অংশ। তা নিয়ে অনেক সময় নির্দিষ্ট মর্মে অভিযোগও জমা পড়ে। বৃহস্পতিবার রেলমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সেইসব খাবারের প্যাকেটেও থাকবে কিউআর কোড। তা স্ক্যান করলেও মিলবে বিস্তারিত তথ্য।