


নয়াদিল্লি: গত এক দশকে আইসিসি এবং এসিসি ইভেন্টে ১৫ ম্যাচের মধ্যে ১২টিতেই পাকিস্তানকে হারিয়েছে ভারত। এমন একপেশে ফলের নেপথ্যে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারাই কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক রশিদ লতিফ। রবিবার এশিয়া কাপের মঞ্চে মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ। সেই সম্পর্কে লতিফ বলেছেন, ‘আমরা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। ম্যাচটাকে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হওয়াই পরাজয়ের কারণ। কিন্তু ভারত পিচ ও পরিস্থিতি অনুসারে খেলে সফল হয়েছে।’
ভারতীয় দলে হার্দিক পান্ডিয়াকে গুরুত্ব দিচ্ছেন লতিফ। তাঁর কথায়, ‘হার্দিক রীতিমতো বিপজ্জনক। ওর পরেও যারা নামবে, তারাও ম্যাচের গতিপথ পাল্টানোর ক্ষমতা ধরে। তবে হার্দিক অসংখ্যবার এটা করে দেখিয়েছে। তাই ওকে এক্স ফ্যাক্টর বলা হয়।’ একইসঙ্গে যশপ্রীত বুমরাহর প্রশংসায় উচ্ছ্বসিত তিনি। লতিফের মতে, ‘এই ফরম্যাটে বোলিংয়ের ক্ষেত্রে নিশানায় অভ্রান্ত থাকা জরুরি। টি-২০ ক্রিকেটে ভারতীয়দের নার্ভ এবং স্কিল বেশি কার্যকরী। আর বুমরাহ হল ওদের সম্পদ।’ উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে টি-২০ বিশ্বকাপে ১১৯ রান হাতে নিয়েও পাকিস্তানকে হারিয়েছিল ভারত। তাতে বড় ভূমিকা ছিল বুমরাহর তিন উইকেটের। পরিষ্কার, হার্দিক-বুমরাহকে নিয়ে শাহিন আফ্রিদিদের সতর্ক করে দিচ্ছেন তিনি।
হর্দিক, বুমরাহ ছাড়াও শুভমান গিল, অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসনের নাম গিয়েছে লতিফের মুখে। তিনি বলেছেন, ‘সার্বিকভাবে ভারতীয় দল খুব ভাল। তার উপর গত ৩০ বছর ধরে বড় আসরে ভারতকে দেখলেই পাকিস্তান চাপে পড়ে যাচ্ছে। সেই মনস্তাত্ত্বিক সুবিধা নিশ্চিতভাবেই আদায় করতে চাইবে টিম ইন্ডিয়া। তবে ওরা হালফিল কোনও টি-২০ ম্যাচ খেলেনি। প্র্যাকটিসই করেছে শুধু। এটা বড় অসুবিধা।’