


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: এবার গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়ল মৎস্যজীবীদের উপর। বাড়ছে সুন্দরবন ভ্রমণের খরচও। সিলিন্ডারের জোগান কম থাকায় গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারছেন না মৎস্যজীবীরা। একটা ট্রলার সমুদ্রে যাওয়া মানে কম করে সাত থেকে দশদিন থাকতে হয়। যাঁরা যান তাঁদের রান্না করার জন্য জ্বালানি প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় সমস্যা শুরু হয়েছে। সুন্দরবন অঞ্চলের বেশিরভাগ ট্রলারে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বর্তমানে সেটির সরবরাহ কম। তাই সমস্যায় পড়েছেন ট্রলার মালিকরা। চড়া দাম দিয়ে তাঁদের সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। অভিযোগ, তাও ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। রতন দাস নামে এক মৎস্যজীবী বলেন, প্রায় চারদিন হয়ে গেল সমুদ্র থেকে মাছ ধরে উপকূলে ফিরেছি। মঙ্গলবার ফের মাছ ধরার জন্য গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিলিন্ডারের জোগান না থাকার জন্য সমস্যায় পড়েছি। এখন সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে প্রায় ১৫ দিন থাকতে হয়। সেখানে প্রায় ১৭ জনকে রান্না করে খাওয়া দাওয়া করতে হয়। কিন্তু সিলিন্ডার এখন পাওয়া যাচ্ছে না। তাই আপাতত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
এদিকে, সুন্দরবন বেড়াতে আসা পর্যটকদেরও বাড়তি টাকা গুনতে হবে। কারণ যে বোটে তাঁরা ভ্রমণ করেন, সেখানেই রান্না করে খাওয়ানো হয় তাঁদের। সরবরাহ সংকট তৈরি হতেই সিলিন্ডার চড়া দামে তা কিনতে হচ্ছে। ফলে প্যাকেজের খরচ যা ধরা হয়েছে তার থেকে মাথা পিছু ১০০-৩০০ টাকা পর্যন্ত বেশি চাইছেন বোট মালিকরা। সুন্দরবন ট্যুরিস্ট বোট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম রসুল সর্দার বলেন, সিলিন্ডার কিনতে অতিরিক্ত টাকা খরচ হচ্ছে। তাই পর্যটকদের থেকে একটু বাড়তি টাকা চাওয়া হচ্ছে।