


ইম্ফল: হিংসাদীর্ণ মণিপুরে এসআইআর ঘিরে নয়া বিতর্ক। প্রাথমিক এক রিপোর্টে কলকাতার ‘সাবার ইনস্টিটিউট’ জানিয়েছে, উপত্যকার তুলনায় পাহাড়ি অঞ্চলে বেশি নাম বাদ পড়েছে। পাহাড়ি এই অঞ্চলগুলিতে মূলত কুকি-জো এবং নাগা জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের বাস। মণিপুরের মোট ৬০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ২০টি পাহাড়ি জেলার অন্তর্গত। রাজ্যের মোট বাদ পড়া নামের ৬৬.৪ শতাংশই এই পাহাড়ি জেলাগুলির। ২০২৩ সালের মে মাস থেকে মেইতেই ও কুকিদের মধ্যে জাতিগত সংঘর্ষ চলছে। সেই প্রেক্ষিতে এই তথ্যটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, বুথভিত্তিক হিসাব করলে উপত্যকার প্রতিটি বুথ থেকে গড়ে মাত্র ৩১ জন ভোটার বাদ পড়েছেন। কিন্তু পাহাড়ি অঞ্চলের প্রতিটি বুথ থেকে ৭৯ জন অর্থাৎ প্রায় আড়াই গুণ বেশি ভোটার বাদ পড়েছেন। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা চূড়াচাঁদপুর জেলার চারটি আসন থেকে মণিপুরের মোট বাদ পড়া নামের ২৪ শতাংশ অর্থাৎ প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ২৪ জনের নাম বাদ পড়েছে। এর মধ্যে চূড়াচাঁদপুরের চারটি আসন— হেঙ্গলেপ, চূড়াচাঁদপুর, সাইকোট এবং সিঙ্গহাট থেকে মোট ৩৮,২৬৪ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই আসনগুলিতে বুথপ্রতি বাদ পড়ার হার গড়ে ১৩২.৪ ভোটার। যা রাজ্যের মধ্যে সর্বাধিক।