


নয়াদিল্লি, ২৭ সেপ্টম্বর: ককরোচরা ফের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নামবে ২ অক্টোবর। আর নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে সমর্থন জানালেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তবে তিনি নিজে সেখানে সরাসরি উপস্থিত নাও থাকতে পারেন বলে জানিয়েছেন।
রবিবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওয়াংচুক বলেন, দেশের প্রশাসন এবং নির্বাচনী ব্যবস্থায় জবাবদিহি বাড়ানোর যে কোনও উদ্যোগকে তিনি সমর্থন করেন। ওয়াংচুক বলেন, প্রতিটি আন্দোলনে তাঁর শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন নেই। তিনি জানান, কোনও নির্দিষ্ট ইস্যুতে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংগঠন নিজেরাই আন্দোলনে এগিয়ে এলে তিনি খুশি হন। তাঁর বক্তব্যে নির্বাচনী ব্যবস্থার গুরুত্বও উঠে আসে। ওয়াংচুক বলেন, গণতান্ত্রিক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হল সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়া। নির্বাচনী ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলে গণতন্ত্রের আর কী অবশিষ্ট থাকে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। পাশাপাশি লাদাখকে ষষ্ঠ তফসিলের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে ওয়াংচুক বলেন, সরকার যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা পূরণ করা উচিত। তিনি আরও জানান, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির দাবিতে কাজ করা সংগঠন, রাজনৈতিক দল এবং নেতাদের তিনি সমর্থন করেন, এমনকী শাসক বিজেপির মধ্যেও যারা এই লক্ষ্যে কাজ করছেন তাঁদেরও।
সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ ওঠে, এসআইআর নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দুই কমিশনারকে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছে বিরোধী শিবির। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে প্রতিবাদ কর্মসূচি। যুব কংগ্রেসের পাশাপাশি পথে নেমেছে এসএফআই, ডিওয়াইএফআই এবং নাগরিক সমাজের একাংশ। তবে এই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে ককরোচ জেনতা পার্টি বা সিজেপি এবং জেন জি-দের সক্রিয়তা। সিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২ অক্টোবর গান্ধীজয়ন্তীর দিন মুম্বই থেকে শুরু হবে তাদের প্রতিবাদ কর্মসূচি। এসআইআর-কে ঘিরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাবদিহির দাবিতেই এই আন্দোলন বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।