


মুম্বই: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনায় প্রহর গুনছিল গোটা বিশ্ব। যদিও শেষপর্যন্ত দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হল আমেরিকা ও ইরান। সুখবর আসতেই একঝটকায় দাম কমে গেল অপরিশোধিত তেলের। গা ঝাড়া দিয়ে উঠল ভারত সহ সারা বিশ্বের শেয়ার বাজারও। বুধবার বাজার খুলতেই তেজি হয়ে উঠল বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ ও ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক। প্রায় তিন হাজার পয়েন্টের দৌড় দেখাল সেনসেক্স। পাল্লা দিল নিফটিও। ৪ শতাংশের কাছাকাছি উত্থান উভয়েরই। গত চারদিন সবুজের ঘরেই ছিল শেয়ার সূচক। কিন্তু এদিন রকেট গতিতে ছুটতে শুরু করে সেনসেক্স। দিনের শেষে ৩.৯৫ শতাংশ বেড়ে ৭৭,৫৬২.৯০ পয়েন্টে দৌড় শেষ করে সেনসেক্স। নিফটিও ৩.৭৮ শতাংশ লাফিয়ে পৌঁছায় ২৩,৯৯৭.৩৫ পয়েন্টে।
ব্রেন্ট ক্রুডের দরও এদিন ১৩.৮৯ শতাংশ কমে ব্যারেল পিছু ৯৪.০৯ মার্কিন ডলারে নেমে আসে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এশিয়ার বিভিন্ন শেয়ার বাজারেও জোয়ার আসে। ইউরোপের বাজারেও ছিল প্রায় একই চিত্র। তবে মঙ্গলবার স্তিমিত ছিল মার্কিন বাজারের সূচক। অনলাইন ট্রেডিং অ্যান্ড ওয়েল্থ টেক সংস্থা এনরিচ মানির সিইও পোনমুদি আর বলেছেন, ‘যুদ্ধবিরতির ফলে ভয় ও ঝুঁকির আশঙ্কা অনেকটাই কমে গিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন বাজারেই এর প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। এশিয়ার বাজারগুলিতেও ক্ষতি অনেকটা পুষিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। জিওজিৎ ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের আধিকারিক বিনোদ নায়ার বলেছেন, বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতিকে একটা বড়োসড়ো পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালী খুললে ভারত তাৎক্ষণিকভাবেই উপকৃত হবে। আর অশোধিত তেলের দাম কমে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিই গতি সঞ্চার করেছে শেয়ার সূচকে।