


সংবাদদাতা, বারুইপুর: গৃহশিক্ষিকার বাড়িতে পড়তে গিয়েছিল কয়েকজন ছাত্রী। তারা ছাদে বসে পড়াশোনা করছিল। ওই বাড়ির ছাদ ঘেঁষেই গিয়েছে বিদ্যুতের তার। কোনোভাবে সেই তারে হাত লাগতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় এক ছাত্রী। তা দেখে ভয় পেয়ে ছাদ থেকে নেমে ছুটে পালাতে গিয়ে পড়ে জখম হয় আরও তিন ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে কুলতলির জালাবেড়িয়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতের পশ্চিম গাবতলা কালীতলা মোড়ে। ছাত্রীদের প্রত্যেকের বয়স ১৪-১৫ বছরের মধ্যে। আহত চারজন ছাত্রীকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে জয়নগর-কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন কুলতলির বিধায়ক গণেশ মণ্ডল। কুলতলি থানার পুলিশও আসে সেখানে। যারা পড়ে গিয়ে জখম হয়েছিল, তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া ছাত্রী তাজমিরা মণ্ডলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে কলকাতার হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিধায়ক গণেশ মণ্ডল বলেন, এই আকস্মিক ঘটনায় আমি মর্মাহত। তাজমিরা এখন ভালো আছে।
জানা গিয়েছে, পশ্চিম গাবতলা এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণা মালের বাড়িতে পড়তে গিয়েছিল ন’জন ছাত্রী। পড়া শেষ হলে তাদের মধ্যে কয়েকজন বাড়ি চলে গিয়েছিল। গৃহশিক্ষিকাও ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন বাড়ির অন্যান্য কাজে। সেই সময় ছাদে চারজন ছাত্রীই ছিল। ছাদের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক তারে তাজমিরার হাত ঠেকতেই ছিটকে পড়ে সে। তাকে ওই অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে বাকিরা ভয় পেয়ে ছাদ থেকে দুরদার করে নেমে পালাতে যায়। সেই সময় পড়ে গিয়ে জখম হয় তিনজন। ওই গৃহশিক্ষিকা সহ এলাকার বাসিন্দারাই তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। নিজস্ব চিত্র