


নিজস্ব প্রতিনিধি, সিঙ্গুর: দীর্ঘ ২১ বছর পর ফের বাংলার প্রাথমিক স্বাস্থ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে এগিয়ে এলো বিশ্ব ব্যাংক। আগামী পাঁচ বছরে খরচ হবে প্রায় ৩৭০০ কোটি টাকা। যার ৭০ শতাংশ সহজ শর্তের ঋণ হিসাবে দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক। আর বাকি ৩০ শতাংশ খরচ হবে রাজ্যের কোষাগার থেকে। ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পরে প্রাথমিক সহ সামগ্রিক স্বাস্থ্য খাতে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে নজিরবিহীন উন্নয়ন সুনিশ্চিত হয়েছে রাজ্য।
তবে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে শেষবারের জন্য কাজ হয়েছিল ২০০৫-২০০৬ সালে। তার পর ফের ২০২৬ সালে প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে রাজ্যের সঙ্গে কাজ করছে বিশ্ব ব্যাংক। অভিজ্ঞ আমলারা জানিয়েছেন, রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন নিয়ে যথেষ্ট সন্তুষ্ট এবং খুশি বিশ্ব ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। আর সেই কারণেই সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে প্রাথমিক স্বাস্থ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাকে এই পরিমাণ আর্থিক সহায়তা প্রদানের গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাটি। আজ, বুধবার সিঙ্গুরের পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান থেকে এই প্রকল্পের সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কিন্তু কী কাজ হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে? গ্রাম বাংলার চিকিৎসা ব্যবস্থায় বড়ো ভূমিকা রয়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কেন্দ্রগুলির মেরামতি এবং সার্বিক উন্নয়ন সুনিশ্চিত করা হবে বলেই সূত্রের খবর। বিশ্ব ব্যাংকের এই প্রকল্প ছাড়াও এদিন সিঙ্গুর থেকে রাজ্যের খরচে গড়ে তোলা একাধিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান ব্যবস্থার উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী।