


সংবাদদাতা, বেলদা: কাশ্মীরের রামবানে পর্যটকবোঝাই বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের বহড়দা গ্রামের এক বাসিন্দা। নাম যমুনা ঠাকুর (৪৮)। শনিবারের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থানার জাহালদা এলাকা থেকে একটি ভ্রমণ সংস্থার বাসে গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে উত্তর ভারত ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন যমুনাদেবী। শনিবার কাশ্মীরের রামবানের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় পর্যটকবোঝাই বাসটি। দুর্ঘটনার জেরে গুরুতর আহত হন একাধিক পর্যটক। রাতে যমুনা ঠাকুরের মৃত্যুর খবর পৌঁছতেই শোকের ছায়া নেমে আসে তাঁর পরিবার ও এলাকায়। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিবারের দুই সদস্য কাশ্মীরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। বর্তমানে জম্মু ও কাশ্মীর মেডিক্যাল কলেজে রয়েছে তাঁর দেহ। পরিবারের তরফে সেখানেই শেষকৃত্য সম্পন্ন করার কথা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন বেলদা থানার জাহালদা এলাকার কেদার পাত্রের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।এদিকে আহত পর্যটকদের উদ্ধার ও সহায়তার জন্য এগরা থেকে একটি বাস রবিবার দুপুরে দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে।