


সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: সাপ্তাহিক ব্লকের জেরে আবার সাত দিন ধরে আদ্রা ডিভিশনে রেল চলাচল পরিষেবা ব্যাহত হতে চলেছে। আজ সোমবার থেকে আগামী রবিবার পর্যন্ত ডিভিশনে ইঞ্জিনিয়ারিং, টিআরডি ও এসঅ্যান্ডটি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কাজ করা হবে। যার জন্য রোলিং ব্লক কর্মসূচি নির্ধারিত হয়েছে। ফলে ডিভিশনের রেলযাত্রীরা ব্যাপক অসুবিধার সম্মুখীন হবেন।
রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ৬৮০৪৬/৬৮০৪৫ (আসানসোল–আদ্রা) মেমু প্যাসেঞ্জার ৭ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত বাতিল থাকবে। অন্যদিকে, ১৮০১৯/১৮০২০ (ঝাড়গ্রাম–ধনবাদ) এক্সপ্রেস ০৭ ও ০৯ জুলাই বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি ৬৮০৯০/৬৮০৮৯ (আদ্রা–মেদিনীপুর) মেমু প্যাসেঞ্জার ১১ জুলাই চলাচল করবে না। এছাড়া ৬৮০৫৬/৬৮০৬০ (টাটানগর–আসানসোল–বরাভূম) মেমু প্যাসেঞ্জার ৭ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত আদ্রা স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করবে। ৬৮০৭৯/৬৮০৮০ (ভোজুডি–চন্দ্রপুরা) মেমু প্যাসেঞ্জার ০৭ ও ১১ জুলাই মহুদা স্টেশন পর্যন্ত চলবে। ৬৩৫৯৪/৬৩৫৯৩ (আসানসোল–পুরুলিয়া) মেমু প্যাসেঞ্জার ৯ জুলাই বাদে ৭ থেকে ১৩ জুলাই আদ্রা স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করবে। অন্যদিকে ১৮০৩৬ (হাটিয়া–খড়গপুর) এক্সপ্রেস ৮,৯ ও ১২ জুলাই হাটিয়া থেকে নির্ধারিত সময়ের ২ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়বে।
আদ্রা ডিভিশনে ট্রেনের নিত্যযাত্রী জ্যোতিলাল সরেন, সুদেব মাল বলেন, দিনমজুরের কাজ করা ব্যক্তিদের ট্রেনের ওপর ভরসা করতে হয়। কিন্তু আদ্রা ডিভিশনের ট্রেন পরিষেবা গত তিন বছর ধরে মানুষকে সমস্যায় ফেলছে। এখন ট্রেনে যাতায়াত করতে ভয় হয়। কারণ ট্রেন নির্ধারিত সময়ে চলাচল করে না। আবার বেশিরভাগ ট্রেন বাতিল থাকে। ফলে সময়ে কখনই পৌঁছানো সম্ভব হয় না। আদ্রা ডিভিশনের এক আধিকারিক বলেন, যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য ব্লক নিয়ে কাজ করা হয়। সেই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাত্রীবাহী ট্রেন নয়, মালবাহী ট্রেনকেও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ফলে রেলের অনেক টাকা ক্ষতি হয়।