


ওয়াশিংটন: আর দেরি নয়। আজ, রবিবারই ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর চূড়ান্ত হবে। এমনটাই দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। একই সঙ্গে হরমুজ নিয়েও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটবে। চুক্তির পরেই খুলে যাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তৈলবাহী এই ধমনী। এমনটাই জানিয়েছেন ট্রাম্প। চুক্তির কথা জানিয়ে শনিবার ট্রুথ সোশ্যালে তাঁর ঘোষণা, ‘চুক্তিটি রবিবার স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। এটি স্বাক্ষরিত হওয়ার পরপরই হরমুজ প্রণালী সকলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার সঙ্গেই পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। প্রায় আড়াই মাস ধরে যুদ্ধের জেরে সারা বিশ্বেই জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষত হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় তেল সরবরাহ ব্যবস্থা থমকে গিয়েছে। এমনকি বহু শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল, সার সরবরাহও বন্ধ হয়েছে।
শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর নিয়ে ট্রাম্প দাবি করলেও বেঁকে বসেছে ইরান। শনিবার ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেল পালটা জানিয়েছেন, ১৪ তারিখে (রবিবার) আমেরিকার সঙ্গে সমঝোতা স্বাক্ষর হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হোয়াইট হাউসের এক আধিকারিক নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, ‘যে সব বিষয়ে সমঝোতা হচ্ছে তা খুবই সাধারণ। প্রথমত, হরমুজকে উন্মুক্ত করতে হবে। সেইসঙ্গে পরমাণু অস্ত্র তৈরির কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে ইরানকে। তৃতীয়ত, তেহরানের ইউরেনিয়াম ভাণ্ডার আমেরিকায় নিয়ে আসা হবে। আমরা ওই ইউরেনিয়াম ইরানেই ধ্বংস করে বের করে আনার বিষয়ে সম্মত হয়েছি।’ যদিও এই সমঝোতায় স্বাক্ষরের পর ইরানের অর্থপ্রাপ্তির বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।