


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী দু’বছরের মধ্যে রাজ্যে বিমানবন্দরের সংখ্যা দ্বিগুণ হবে। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কে আর নাইডু সোমবার একথা জানিয়েছেন। এদিন নবান্ন সভাঘরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে ‘উড়ান’ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যে চারটি নতুন বিমানবন্দর চালু করার জন্য রাজ্য সরকার ও অসামরিক বিমান মন্ত্রকের ‘মউ’ স্বাক্ষর হয়। পুরুলিয়ার ছড়রা, পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুণ্ডা, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট ও জলপাইগুড়ির হাসিমারায় হবে বিমানবন্দর। কলকাতা থেকে সরাসরি ইউরোপ যাওয়ার বিমান পরিষেবা চালুর জন্যও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এ ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘রাজ্যের আগের সরকার কেন্দ্রের সঙ্গে সহযোগিতা করেনি। তা করলে অনেক আগেই এই বিমানবন্দরগুলি হয়ে যেত। গত ১২ বছরে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া সব রাজ্যে বিমানবন্দরের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৪ সালে দেশে ৭৪টি বিমানবন্দর ছিল। সেটা বেড়ে ১৬৬ হয়েছে। ১০ বছরের মধ্যে আরও ১০০টি বিমানবন্দর হবে।’
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, আপাতত এরাজ্যে চারটি বিমানবন্দর হবে। পরে এই সংখ্যা বেড়ে আটটি হতে পারে। বেহালায় যে এয়ারস্ট্রিপ আছে, সেখানে বিমান চালানোর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন। ১৬৪০টি নতুন বিমানের বরাত দেওয়া হয়েছে। বিমান চালানোর জন্য আরও পাইলট দরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এদিন বেহালা এয়ারস্ট্রিপ পরির্শনে যান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কলকাতা থেকে ইউরোপ ছাড়াও অযোধ্যা, তিরুপতি, অমৃতসর, খাটুসাম প্রভৃতি তীর্থস্থানে যাওয়ার বিমান পরিষেবা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’ অণ্ডাল বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ ভারতে যাওয়ার বিমান চালু করা জন্যও তিনি অনুরোধ করেন। শুভেন্দু আরও বলেন, ‘মালদহ ও কোচবিহারে পুরোদস্তুর বিমানবন্দর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রিন ফিল্ড বিমানবন্দর গড়ার জন্য ২ হাজার একর জমি চিহ্নিত করে কাজ শুরু হয়েছে কল্যাণীতে।’