


পরামর্শে শঙ্কর জ্যোতি আই ইনস্টিটিউট নিউটাউনের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ অনুরিয়া দে।
‘রঙ যেন মোর মর্মে লাগে, আমার সকল কর্মে লাগে।’— রঙের উৎসব হোলির উদযাপন যেন শুধুই আনন্দের হয় তার জন্য চোখের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে কিছু সাবধানতা অবলম্বন একান্তভাবে প্রয়োজন। রঙ যেন চোখে সরাসরি না লাগে তার জন্য চশমার ব্যবহার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহারে অভ্যস্ত, তাঁরা ওইদিনের জন্য লেন্স ব্যবহার না করে চশমা ব্যবহার করলে সমস্যা এড়াতে পারবেন। যাদের চোখে সাধারণভাবে চশমা নেই তারা রোদ চশমা বা জিরো পাওয়ার গ্লাস ব্যবহারের মাধ্যমে চোখে রঙজনিত বিপদ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। কৃত্রিম রাসায়নিক রঙের বদলে বিভিন্ন ফুলের পাপড়ি থেকে তৈরি অর্গ্যানিক রং বেশ কয়েক বছর ধরে বাজারে পাওয়া যেতে শুরু করেছে। এই অর্গ্যানিক রঙ চোখে অসাবধানতাবশত চলে গেলেও তার প্রভাবে ‘কেমিকাল কনজাংটিভাইটিস’ হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কম। সমস্ত রকম সুরক্ষা অবলম্বনের পরেও যদি হঠাৎ চোখে রঙ ঢুকে গেলে সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার জল দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন।। চোখ ঘষবেন না। এতে চোখের মণি বা কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিকটবর্তী চোখের ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারও কথা শুনে চিকিৎসার নিজে করার চেষ্টা এ ক্ষেত্রে চোখের খুব বড় রকমের ক্ষতি করতে পারে। বসন্তোৎসবের শুভেচ্ছা রইল। হোলির রং শুধুই মর্মে আর কর্মে লাগুক, চোখে নয়।