


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও নয়াদিল্লি: একুশে জুলাইয়ের সভার প্রস্ততি তুঙ্গে তৃণমূলের দুই শিবিরের। মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ঋতব্রত তৃণমূলের পক্ষ থেকে মঞ্চ বাঁধা এবং আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে তিনদিন আগে থেকেই। কিন্তু কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে মঞ্চ বাঁধার কাজ শুরু হয় রবিবার বিকালে। লোক জমায়েত থেকে কর্মসূচি, কে কাকে টেক্কা দিতে পারে, তা নিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা। দু’পক্ষই কর্মী-সমর্থকদের কাছে রুট চেনাতে বেশি ব্যস্ত। দিকভ্রান্ত হয়ে কোনো কর্মী যাতে অন্যের সভাস্থলে পৌঁছে না যান, সেদিকে নজর দিয়েছেন তৃণমূলের দুই শিবিরের নেতারা। গান্ধী মূর্তির পাদদেশে যেখানে ঋতব্রত তৃণমূলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি করা হচ্ছে, তার থেকে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়াম খুব দূরে নয়। তবে ধর্মতলার বেশি কাছে ঋতব্রত তৃণমূলের সভাস্থল গান্ধী মূর্তির পাদদেশ।
অন্যদিকে, ময়দান মেট্রো স্টেশনের লাগোয়া ক্যাথিড্রাল রোডের সভায় মূল বক্তা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরই কর্মী-সমর্থকদের আবেদন করেছেন, সঠিক সভাস্থলেই আসবেন। রবিবার গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সভার প্রস্তুতি দেখতে গিয়েছিলেন ঋতব্রত তৃণমূল শিবিরের নেতা ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যরা। আবার বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে সভাস্থল পরিদর্শনে যান মমতাপন্থী কুণাল ঘোষ, দোলা সেন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়রা। ঋতব্রত শিবির দাবি করেছে, আমরাই আসল তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে আমাদের বিশ্বাস, মানুষ শহিদ তর্পণ করতে আমাদের কর্মসূচিতেই আসবেন।
পাল্টা মমতাপন্থীদের বক্তব্য, তৃণমূলের বিদ্রোহীরা যে কর্মসূচি করছেন, সেটা আসলে বিজেপির স্পন্সর। তাই মানুষ হৃদয় ও আবেগের টানে মমতার কর্মসূচিতে আসবেন। তবে এরমধ্যে শহিদ পরিবারের সদস্যদের নিয়েও টানাটানি চলছে। দু’পক্ষই চাইছে শহিদ পরিবারের সদস্যদের তাদের মঞ্চে হাজির করাতে।