


নয়াদিল্লি, ২৮ জুলাই: প্রশ্নপত্র ফাঁসে মন্ত্রী ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছেন। অপসারণ অথবা বদলি করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকরা। এমনকি শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি’র (এনটিএ) লোকজনের উপরে। অথচ এখনও বহাল তবিয়তে আছেন এনটিএ চেয়ারম্যান প্রদীপকুমার যোশী! কোন মন্ত্রবলে তা সম্ভব হল! আরএসএসের ঘনিষ্ঠতার কারণে তাঁকে কি অড়াল করছে মোদি সরকার? আজ, মঙ্গলবার লোকসভায় বিরোধীদের এমন চোখা প্রশ্নের মুখে রীতিমতো নাস্তানাবুদ হতে হল মোদি সরকারকে।
প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সংসদে বিল পেশ করেছে সরকার। এর উপরে বিতর্কে অংশ নিয়ে সরকারকে একযোগে চেপে ধরেন বিভিন্ন বিরোধী দলের সাংসদ। সরকারকে একের পর এক প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেন কংগ্রেসের গৌরব গগৈ, সপা-র অখিলেশ যাদব, তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডিএমকের দয়ানিধি মারানরা। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও এই বিতর্কে অংশ নিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।
এনটিএ প্রধান প্রদীপ যোশীর সঙ্গে ‘কেশব ভবনের’ ঘনিষ্ঠতা নিয়ে এদিন সবর হন কংগ্রেসের গৌরব গগৈ। আউটসোর্সের মাধ্যমে নিযুক্ত এনটিএ-র কয়েকজন কর্মীকেও সরিয়ে দিয়েছে সরকার। কিন্তু চেয়ারম্যানকে কেন সরানো হয়নি, প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এদিকে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে রামমন্দির থেকে ভক্তদের দানের অর্থ চুরির প্রসঙ্গ টেনে আনেন অখিলেশ যাদব। বলেন, ‘যে সরকার দানের টাকা চুরি রুখতে পারে না, তারা প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখবে কীভাবে।’