


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেড় লক্ষের বেশি আবেদন। দ্রুত ডিজিটালি আপলোড করতে হবে। যাতে যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করা যায়। তার জন্য দু’শোর বেশি ডেটা এন্ট্রি অপারেটরকে কাজে নামিয়েছে কলকাতা পুরসভা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে ‘যুবসাথী’র হার্ড কপি অর্থাৎ আবেদনপত্র ডিজিটাল করার কাজ। অন্যদিকে অনলাইনে আবেদন করা ৬০ হাজারেরও বেশি আবেদনকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে কিংবা তা প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে।
কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, ক্যাম্প বা শিবির থেকে প্রায় ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৬০০ জনের আবেদনপত্র পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি অনলাইনে আবেদন করেছেন ৭৩ হাজার ৪৯৯ জন। অনলাইনে পাওয়া আবেদনপত্র খতিয়ে দেখে ফিল্টার করেছে রাজ্য প্রশাসন। অনলাইনে আবেদনকারীদের মধ্যে কেউ সরকারি অন্য স্কিমভুক্ত কি না সেই সব খতিয়ে দেখার পর তালিকা ছাঁটাই করে ৬২ হাজারের কিছু বেশি নাম পুরসভাতে পাঠিয়েছে সরকার। সেই ৬২ হাজার আবেদনকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করা হয়েছে কিংবা তা প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে শিবিরে জমা করা আবেদনপত্রগুলি কম্পিউটারে নথিভুক্ত করার কাজ চলছে। সেই কাজে ২৩৪ জন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরকে কাজে লাগানো হয়েছে। পুরসভার এক কর্তা বলেন, বিপুল সংখ্যক আবেদন। দ্রুত ডিজিটাল করতে হবে। কারণ সরকারি তরফে চাপ রয়েছে, এই মাসের মধ্যে সমস্ত ডেটা এন্ট্রি করে ফেলতে হবে। এই নথিভুক্তির পর সরকার ঝাড়াই বাছাই করে দেখবে, কেউ অন্য কোনো সরকারি টাকা পান কি না। সেসব দেখেই ‘যুবসাথী’র তালিকা অনুমোদন করা হবে। তারপর তাঁদের অ্যাকাউন্টেও টাকা ঢুকবে। রীতিমতো হিমশিম পরিস্থিতি। কার্যত নাওয়া খাওয়া ভুলে ডেটা এন্ট্রির কাজ চলছে। তার মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ আবেদন ডিজিটাল নথিভুক্ত করা হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। - ফাইল ছবি।