


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কসবা আইন কলেজে গণধর্ষণ মামলায় চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গঠিত হল চার্জ। বুধবার আলিপুরের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের নির্দেশ দেন। যদিও অভিযুক্তরা আদালতে দাবি করেন, ‘তাঁরা নির্দোষ’। আদালত এই মামলায় বিচার প্রক্রিয়া শুরুর দিন ধার্য করেছে ২৭ জানুয়ারি। গণধর্ষণ ছাড়াও অপহরণ, বেআইনিভাবে আটকে রাখা, মারধর করা, সাক্ষ্য‑প্রমাণ লোপাট সহ তথ্য‑প্রযুক্তি আইনে চার্জ গঠন করা হয়। এই মামলার বিশেষ সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় জানান, ‘চার অভিযুক্তের মধ্যে তিনজন আছেন জেল হেপাজতে। একজন জামিনে। মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ৮৩।’ তিনি বলেন, ‘জেল হেপাজতে থাকা তিনজন জামিনের আরজি জানালেই সরকার পক্ষ থেকে তার বিরোধিতা করা হবে।’
শোরগোল ফেলে দেওয়া এই মামলাটি আলিপুর জেলা আদালত থেকে স্থানান্তরিত হয়ে বিচারের জন্য প্রথম আসে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারকের এজলাসে। ইতিমধ্যে তিন অভিযুক্ত আদালতে জামিনের আরজি জানিয়েও শেষ পর্যন্ত তা প্রত্যাহার করে নেন। এই মামলায় চারজনের মধ্যে একজন ওই কলেজের প্রাক্তন ছাত্র। ঘটনার সময় তিনি ছিলেন সেখানকার অস্থায়ী কর্মী। বাকি দুই অভিযুক্ত হলেন কলেজের দুই ছাত্র। অভিযুক্ত হিসাবে রয়েছেন এক নিরাপত্তারক্ষীও। যিনি বর্তমানে জামিনে। এই মামলায় নির্যাতিতা বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি পেশ করেছেন। করা হয়েছে ডিএনএ পরীক্ষা। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তের অস্তিত্ব প্রমাণ করতেই ওই পরীক্ষা করা হয়। এক অভিযুক্তের কৌঁসুলি দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য এদিন বলেন, ‘মূল মামলার শুনানি শুরু হলে আমরা আমাদের বক্তব্যও কোর্টের কাছে সওয়ালে তুলে ধরব।’