


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নতুন করে প্রাথমিক স্তরে চাকরি পেতে চলেছেন আরও ১৯৮২ জন শিক্ষক পদপ্রার্থী। বুধবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতে এই প্রার্থীদের নিয়োগ করা হতে চলেছে। তাঁদের তালিকাও রয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের মধ্যে যে প্রায় ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল, এই প্রার্থীরা ছিলেন তখনকার আবেদনকারী। বর্তমানে যে ১৩,৪২১টি শূন্য পদে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে, তাতে প্রভাব পড়বে না।
এই প্রার্থীরা ২০২০-২২ শিক্ষাবর্ষে ডিএলএড পড়ুয়া ছিলেন। যে-সময় নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছিল তখন তাঁদের কোর্স পুরো শেষ হয়নি। তাই পর্ষদ তাঁদের নিয়োগ করেনি। তখন প্রার্থীরা হাইকোর্টে মামলা করেন। তাতে আদালত বলে যে, কোর্স শেষ না-হলেও তাঁদের চাকরি দিতে হবে। কিন্তু টেট উত্তীর্ণ এই প্রার্থীদের ইন্টারভিউ নেওয়ার পর দেখা যায়, তাঁদের অনেকেরই নম্বর চাকরি পেয়ে যাওয়া প্রার্থীদের তুলনায় বেশি। ফলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে, এদের চাকরি দিলে অনেকের চাকরি বাতিল হতে পারে। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। আদালত অবমাননার কেসও হয়। পরে ঠিক হয়, বাড়তি শূন্যপদে এই ১,৯৮২ জন প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হবে। এর ফলে, যাঁরা ইতিমধ্যেই চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের কোনও সমস্যা হবে না। ৯ জানুয়ারি এই সংক্রান্ত মামলাটি ফের সুপ্রিম কোর্টে ওঠার কথা। তার আগেই পর্ষদ এই বিজ্ঞপ্তি জারি করে দেওয়ায় অনেক জটিলতাই কাটল।
পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল বলেন, ‘যাঁরা চাকরি পেয়ে গিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকের তা চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল তবে সবার চাকরিই যাতে থাকে, সেই লড়াইটা লড়তে হয়েছিল পর্ষদকে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে এজন্যই কিছুটা দেরি হয়েছে।’