


ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল। রবিবার ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর নামে একটি হলের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে। ওসমান হাদির নামে ওই হলের নামকরণ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মৃত্যু হয় ইনকিলাব মঞ্চের ওই নেতার। গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন হাদি। শনিবার তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বিদ্রোহী কবি কাজি নজরুল ইসলামের পাশে হাদিকে কবর দেওয়া হয়। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। হাদির শেষকৃত্যের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাংস্কৃতিক সচিব মুসাদ্দেক ইবন আলি মহম্মদ ঘোষণা করেন, বঙ্গবন্ধু মুজিব হলের নাম বদল করা হবে। এরপর রাতের দিকে একটি ক্রেন এনে ওই হলের সামনে লেখা বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা হয়। বঙ্গবন্ধুর যে ম্যুরাল ছিল, সেগুলির উপরও রঙ করে দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিতর ক্রেন আনার জন্য অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে ডাকসুর সহসভাপতি মুসলিমুর রহমান জানিয়ে দেন, পড়ুয়ারা চেয়েছিল মুজিবের নাম সরিয়ে দিতে, তাঁদের দাবি মেনে নিয়েই কাজ করা হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা বা মূর্তি ভেঙে ফেলার ঘটনা নতুন নয়। গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পরেই বঙ্গবন্ধুর একাধিক মূর্তি ভাঙা হয়। আগুনে পোড়ানোর পর ভেঙে ফেলা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ৩২, ধানমন্ডির বাসভবনও।