


ইয়াঙ্গন: মায়ানমারে বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘আরাকান আর্মি’র সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হল সেনাবাহিনীর এক ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের। কিছুদিন আগেই রাখাইন প্রদেশের ক্যায়ুকফিউয়ের কাছে চীনা বিনিয়োগ কেন্দ্র দখল করে নেয় আরাকান আর্মি। সেই সময়ই ক্যায়ুকফিউ বন্দরের কাছে সেনার সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। ভারত মহাসাগরে নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করতে ক্যায়ুকফিউয়ে বন্দরটি গড়ে তুলতে প্রচুর টাকা বিনিয়োগ করেছে বেজিং। চীনের তেল ও গ্যাস টার্মিনালের কাছেও দু’পক্ষের সংঘর্ষের খবর মিলেছে। আরাকান আর্মির সদস্যরা সামরিক জুন্টা সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখল করে নিয়েছে বলে মায়ানমারের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। ওই সূত্র অনুযায়ী, গত সোমবার আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন ১১ নম্বর ডিভিশনের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিয়াও মিও আউং ও সেনার এক ক্যাপ্টেন। পরে মারা যান কিয়াও। তাঁর দেহ এয়ারলিফ্ট করে ইয়াঙ্গনে নিয়ে আসা হয়েছে। এখনও ক্যায়ুকফিউয়ে সেনা ও বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। আরাকান আর্মিকে সেখান থেকে হটাতে আকাশ, জল ও স্থলপথে আক্রমণ চালাচ্ছে জুন্টা সেনা। একাধিক জায়গায় যুদ্ধবিমান থেকে গুলি চালানো হয়েছে। যার জেরে বিদ্রোহীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও প্রাণ গিয়েছে বলে খবর মিলেছে। বিনিয়োগ কেন্দ্রগুলিকে রক্ষা করতে চীনের একটি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থাও আরাকান আর্মির উপর ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকেই চীনা নিরাপত্তা সংস্থাটিকে বিদ্রোহীদের দমন করতে কাজে লাগাচ্ছে সামরিক সরকার।