


রোম: ‘দোস্ত, দোস্ত না রহা’। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে সহযোগিতায় অস্বীকার। তারপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চাপানউতোরে পোপ লিও-র পাশেই দাঁড়িয়েছেন। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জিওর্জিয়া মেলোনির এই অবস্থানে বেজায় চটেছেন ট্রাম্প। গত মাসেই মেলোনিকে ‘মহান নেত্রী’ বলে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন তিনি। এবার ইতালীয় সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একহাত নিলেন মেলোনিকে। মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘ভেবেছিলাম ইতালির প্রেসিডেন্ট সাহসী। কিন্তু এখন বুঝেছি, ওই ভাবনা ভুল ছিল।’ সেখানে ন্যাটো সদস্য ইতালির অবস্থান নিয়ে হতাশাও ধরা পড়েছে ট্রাম্পের কথায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি মেলোনিকে অন্যদের থেকে আলাদা ভাবতাম। এখন তাঁর আচরণে হতাশ।’
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তৈলবাহী ধমনী বলে পরিচিত হরমুজ প্রণালীর অবরোধ শুরু করেছে আমেরিকা। সেই অবরোধে ইতালির সহযোগিতা চেয়েছিল আমেরিকা। কিন্তু মেলোনি সেই প্রস্তাবে সাড়া দেননি। এব্যাপারে ট্রাম্প বলেন, ‘জ্বালানির জন্য ইতালি বিশ্বের সর্বাধিক দাম দেবে। এরপরও তারা হরমুজ প্রণালীর কর্তৃত্ব নিয়ে যুদ্ধে সহযোগিতা করবে না। ওরা ট্রাম্পের উপর নির্ভর করবে।’ ইতালির মানুষের কাছে তাঁর প্রশ্ন, ‘আপনাদের সরকার দেশে তেল আনতে কিছুই করেনি। এটাকে কি আপনারা সমর্থন করেন?’ মেলোনিকে যে তিনি আর পছন্দ করছেন না, তাও জানিয়েছেন অকপটে। ট্রাম্পের কথায়, ‘ওঁকে আর মেনে নেওয়া যায় না। ইরান পরমাণু শক্তিধর হয়ে দু’মিনিটে ইতালিকে জ্বালিয়ে দিলেও তাঁর কিছু এসে যায় না। তখন মেলোনিও আর সেই মানুষ থাকবেন না। ইতালিও আর সেই ইতালি থাকবে না।’ যদিও রোম বিষয়টিকে গুরুত্ব নিতে নারাজ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ইতালীয় দূতবাস থেকে ট্রাম্পকে কটাক্ষ করা হয়েছে। ফাইল চিত্র