


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দীর্ঘদিন ধরে দেগঙ্গার তেলিয়াতে বিদ্যাধরী শাখা নদীর উপর কংক্রিটের ব্রিজ তৈরির দাবি জানিয়ে আসছেন এলাকার বাসিন্দারা। প্রশাসনিকভাবে অনেক প্রতিশ্রুতিও মিলেছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এই ইস্যুটি ফের জোরালো হচ্ছে। বিষয়টির আঁচ পেয়ে ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন হাড়োয়ার তৃণমূল বিধায়ক রবিউল ইসলাম। এলাকার বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে এনিয়ে তিনি আলোচনাও করেছেন। এক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই জানিয়েছেন বিধায়ক।
জানা গিয়েছে, দেগঙ্গা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তেলিয়া গ্রামে বিদ্যাধরী শাখা নদী পারাপার করেই হাড়োয়া, মিনাখাঁ, বারাসত ২ নম্বর ব্লকের অনেক গ্রামবাসী যাতায়াত করেন। তাছাড়া এখান থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সঙ্গেও ফেরি যোগাযোগ আছে। কিন্তু নদীতে জোয়ার-ভাটার সময়ে নৌকায় পারাপার করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। তার উপর রয়েছে কচুরিপানার চাপ। এর মধ্য দিয়েই এলাকাবাসীদের যাতায়াত করতে হচ্ছে দশকের পর দশক। পরিস্থিতি থেকে বাসিন্দাদের মুক্তি দিতে কারো যেন কোনো সদিচ্ছা নেই। ফলে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ জমেছে।
বিষয়টি জানতে ক’দিন আগে তেলিয়া এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিধায়ক রবিউল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন দেগঙ্গা ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুব্রত বসু সহ অন্যরা। স্থানীয় বাসিন্দা জামাত আলি বলেন, বহুদিন ধরেই আমরা সেতুর দাবি করে আসছি। যাতায়াতের ভরসা নৌকা। আর বর্ষার সময় যাতায়াত কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ভোটের সময় বারেবারে প্রতিশ্রুতি মিলেছে। কিন্তু ভোট শেষ হলে এলাকায় আর কাউকে দেখা যায় না। বিধায়ক সদর্থক পদক্ষেপ করলে ভালো হয়। আরেক বাসিন্দা শামিম আলির কথায়, এখানে কংক্রিটের ব্রিজ হলে শুধু এই জেলা নয়, পাশের দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসিন্দাদেরও উপকার হবে। সহজে এখানকার বাসিন্দারা কলকাতায় যেতেও পারবেন।
এ বিষয়ে বিধায়ক রবিউল ইসলাম বলেন, আমি এলাকাটি পরিদর্শন করেছি। তবে এটা অনেক বড় প্রকল্প। শুধু বিধায়ক তহবিলের টাকায় সম্ভব নয়। তাই সেচ ও পূর্তদপ্তরের সঙ্গে কথা হচ্ছে। নিজস্ব চিত্র