


নয়াদিল্লি: ‘উই শ্যুড গো ফর দ্য কিল’। এমনই নির্দেশ দিয়েছিলেন বায়ুসেনা প্রধান। তাঁর এই ক’টি শব্দের অভিঘাত যে কত ভয়ঙ্কর হতে পারে ইতিমধ্যে টের পেয়েছে পাকিস্তান। অপারেশন সিন্দুরের পর প্রতিশোধ নিতে ভারতের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলার চেষ্টা করেছিল ইসলামাবাদ। কিন্তু ভারতের কাছ থেকে এমন কড়া প্রত্যাঘাত আসতে পারে, তা হয়তো দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেনি পাকিস্তান। ভারতীয় বায়ুসেনার চকিত আক্রমণে ধ্বংস হয়ে যায় রাওয়ালপিন্ডির নূর খান সহ মুরিদ, সুক্কুর, শিয়ালকোট, সারগোদা, রফিকি ও জেকোবাবাদের এয়ারবেস ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। বায়ুসেনা ঘাঁটিগুলিতে ভারতের হামলার কথা স্বীকার করে নিয়েছে পাক সেনা। বিশেষ করে, নূর খান বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে যায় শাহবাজ শরিফ সরকার। কেননা রাওয়ালপিন্ডির কাছে এই নূর খান এয়ারবেস হল পাকিস্তান বাহিনীর মেরুদণ্ড। এর কাছেই রয়েছে পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডার।
সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, আকাশপথে কীভাবে পাকিস্তানের ভিতরে বেছে বেছে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানা সম্ভব হবে, তার ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করেছিলেন স্বয়ং এয়ার চিফ মার্শাল অমরপ্রীত সিং। তাঁর রণকৌশলে সিলমোহর দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরে প্রশাসনিকভাবে এই অপারেশনের সবুজ সঙ্কেত দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ অনিল চৌহান। স্থল এবং নৌবাহিনীর তরফে জানানো হয়, বায়ুসেনাকে সবরকম ভাবে সাহায্য করবে তারা। এরপরই বাহিনীর বাছাই করা পাইলটদের ‘গো ফর কিল’ নির্দেশ দেন এয়ার চিফ মার্শাল।