


নয়াদিল্লি: আমদানি বেড়েছে। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ঘরোয়া কেনাকাটা। আর সেই কারণেই অর্থবর্ষের শেষ মাস মার্চে জিএসটি সংগ্রহ বাড়ল অনেকটাই। বুধবার প্রকাশিত হয়েছে কেন্দ্রের পণ্য পরিষেবা কর সংক্রান্ত পরিসংখ্যান। তাতে দেখা যাচ্ছে, ফেব্রুয়ারির তুলনায় জিএসটি সংগ্রহ ৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকায়। চলতি অর্থবর্ষে এটাই তৃতীয় সর্বাধিক মাসিক আদায়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের বাজার থেকে জিএসটি এসেছে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটি টাকা। বৃদ্ধির হার ৫.৯ শতাংশ। আর আমদানি পণ্য ও পরিষেবা থেকে জিএসটি (আইজিএসটি) আদায় হয়েছে ৫৩ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ১৭.৮ শতাংশ। গত বছর মার্চে জিএসটি বাবদ সরকারের কোষাগারে জমা হয় ১ লক্ষ ৮৩ হাজার কোটি টাকা। গত এপ্রিলে তা ছাপিয়ে যায় ২ লক্ষ ৩৬ কোটি টাকার গণ্ডি। সেটাই এখনও পর্যন্ত কোনো মাসে সর্বাধিক জিএসটি আদায়। এর পরেই রয়েছে গত মে মাসের ২ লক্ষ ১ হাজার কোটি টাকা আয়। চলতি অর্থবর্ষে আদায় ৮.৩ শতাংশ বেড়ে আয় দাঁড়িয়েছে ২২ লক্ষ ২৭ হাজার কোটি টাকা। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক এবং তেলেঙ্গানায় জিএসটি আদায় ব্যাপক বেড়েছে। কমেছে হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ এবং অন্ধ্রপ্রদেশে। নয়া হার চালু হওয়ায় কমল বাংলার জিএস্তি আদায়। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে রাজ্যের এসজিএসটি আদায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকায়। যা গত আর্থিক বছরে ছিল ৪৬ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা। গত বছরের মার্চ মাসের ৩ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকার তুলনায় এবছর মার্চ মাসে পশ্চিমবঙ্গে আদায় হয়েছে ৩ হাজার ৮৪৪ কোটি টাকা।