


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উচ্চ মাধ্যমিক বৃত্তিমূলক শাখার পরীক্ষার্থীদের অনেকের প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। গত ১৬ মে পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হওয়ার পর অনলাইনে ই-মার্কশিট দেওয়া হয়। সাধারণত ফলপ্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যে মার্কশিটের আসল বা হার্ডকপি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা পান। কিন্তু এবারই তার ব্যতিক্রম হল। কারিগরি শিক্ষা কাউন্সিলের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়, বিশেষ কিছু সমস্যার জন্য মার্কশিটের হার্ডকপি দিতে দেরি হচ্ছে। তাড়াতাড়ি মার্কশিট পাঠানো হবে। এবার সেই মার্কশিট পাঠানোর পর বেশ কিছু সংখ্যক পরীক্ষার্থী দেখছেন, ই-মার্কশিটে যে নম্বর দেওয়া হয়েছে, মার্কশিটের হার্ড কপিতে তার থেকে কম বেশি হয়েছে। এই অবস্থায় কারিগরি শিক্ষা কাউন্সিলের তরফে মার্কশিক বণ্টন কেন্দ্রগুলি নোডাল অফিসারদের কাছে মোবাইলের মাধ্যমে বার্তা পাঠিয়েছে। বেশ কিছু মার্কশিটে নম্বরের পার্থক্য থাকার বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, মার্কশিটের হার্ডকপিতে যে নম্বর আছে, সেটাই ধরতে হবে। বৃত্তিমূলক শাখার পবীক্ষার্থীরা পাশ করার পর অনেকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হন। আবেদন করার সময় কী নম্বর ছিল ও এখন কত নম্বর আছে, তার তালিকা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি বৃত্তি মূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক জানিয়েছেন, অনেক পরীক্ষার্থীরা ই-মার্কশিট পেশ করে ভিন রাজ্যে কৃষি সহ বিভিন্ন স্নাতক কোর্সে ভর্তির আবেদন করেছেন। এখন মার্কশিটের হার্ডকপিতে অন্য নম্বর এলে সমস্যা হতে পারে। কারও কারও ভর্তি আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের প্রবীণ নেতা মনোজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ঠিকঠাক মার্কশিট দেওয়া উচিত ছিল। এতে উচ্চ শিক্ষার কোর্সে ভর্তি হতে দুর্ভোগে পড়বেন অনেক পড়ুয়া।