


বেজিং: চীনা মুদ্রা ইউয়ানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য শুরুর তোড়জোড় শুরু করে দিল জিনপিং প্রশাসন। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাজার টালমাটাল। অনেকেই ডলারের চোখরাঙানি উপেক্ষা করতে চাইছে। সূত্রের খবর, এই সুযোগে ইউয়ানের গুরুত্ব বাড়াতে সচেষ্ট হয়েছে বেজিং। ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং বৈদেশিক লেনদেনের মাধ্যম হিসাবে চীন এখন ইউয়ানকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।
প্রেসিডেন্ট পদে বসেই চীনকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে শক্তিশালী হিসাবে গড়ে তোলার কথা জানিয়েছিলেন জি জিনপিং। কোন জাদুবলে ড্রাগনের দেশ শীর্ষে আরোহণ করবে, কমিউনিস্ট পার্টির বৈঠকে তাও খোলসা করেছিলেন জিনপিং। বলেছিলেন, ‘দেশকে আর্থিকভাবে কী করে শক্তিশালী বানানো যায়? প্রথমত, সেই দেশের শক্তিশালী মুদ্রা থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ে সেই দেশের মুদ্রার চাহিদা বাড়াতে হবে। তবেই সেই মুদ্রা রিজার্ভ কারেন্সি হয়ে উঠবে।’ সেটা ছিল ২০২৪ সাল। তাঁর সেই বক্তব্যই চীনা কমিউনিস্ট পার্টির তাত্ত্বিক মুখপত্র ‘কিউশি’ নতুন করে সামনে এনেছে। ‘কিউশি’ প্রায়ই বেজিংয়ের নানা নীতি, নেতাদের পুরানো বক্তব্য সামনে আনে। তবে সাম্প্রতিকতম সংখ্যায় যে গুরুত্ব দিয়ে জিনপিংয়ের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তাকে কাকতালীয় বলতে রাজি নন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।